• ঢাকা
  • সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৯, ৪ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬
প্রকাশিত: আগস্ট ১১, ২০১৯, ০৬:১৬ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : আগস্ট ১১, ২০১৯, ০৬:১৬ পিএম

ঈদের আমেজ

ঢাকা এখন অনেকটাই ফাঁকা

হালিম মোহাম্মদ
ঢাকা এখন অনেকটাই ফাঁকা
রাজধানী অনেকটাই ফাকা। শাগবাগ এলাকা থেকে ছবিটি তুলেছেন কাশেম হারুন

রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা গুলিস্তান থেকে মাত্র ২০ মিনিটেই ফার্মগেট পৌঁছে গেছেন সরকারি কর্মচারী ফারুক আহমেদ। গ্রামের বাড়ি  রংপুরের সৈয়দপুরের টিকেট কেটে বিড়ম্বনার কারণে যাত্রা স্থগিত করেছেন। আজ সকালে কমলাপুর গিয়ে রেলের টিকেট ফেরত দিয়ে টাকা নিয়ে এসেছেন।

তিনি বলেন, ঈদের সময় পরিবার-পরিজন নিয়ে আর গ্রামের বাড়ি যাব না। ছেলের গ্রামে যাওয়া বায়না থামাতে বিকেলে গুলিস্থান আসেন। কিছু কেনাকাটা করবেন বলে। এরপরই তিনি রাজধানীর ফার্মগেট মনিপুরী পাড়ায় বাসায় যাচ্ছিলেন বাসে চেপে। সঙ্গে রয়েছেন ছেলে সোহেল। ২০ মিনিটে গুলিস্তান থেকে নিউ ভিশনে ফার্মগেটে পৌঁছান তারা। রাজধানীর রাস্তাগুলো এখন এতটাই ফাঁকা যে, অতি কম সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পেরে পিতাপুত্র দুজনেই অনেক আনন্দিত।

জানা গেছে, ঈদে পরিবার-পরিজন নিয়ে রাজধানী ছেড়েছেন সিংহভাগ মানুষ। শহরে তাই মানুষের অনেকটা উপস্থিতি কম। কর্মজীবী যারা এখনো শহরে অবস্থান করছেন, তাদের অনেকেই বাড়ি যেতে ছোটাছুটি করছেন রেলস্টেশন কিংবা বাস টার্মিনালগুলোতে। আজ রোববার ফাঁকা রাজধানী ছিলো চোখে পড়ার মতো।

রাজধানীর একাধিক স্থান থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে কিছুক্ষণ পর পর ছেড়ে যাচ্ছে যাত্রীবাহী বাস। রাস্তায় নগর পরিবহনের সংখ্যাও অনেক কম। বাংলামোটরে এমনই এক বাসের যাত্রী রফিকুল আলম। তিনি বেসরকারি ব্যাংকে চাকরি করেন। তিনি জানান, আজও অফিস করতে হয়েছে। বেশি ছুটি কাটাবো বলে ঈদের আগে ছুটি নেইনি। বাসায় সবাই অপেক্ষা করছে। এসবরে মধ্যেও পথের ভোগান্তির ভয় থেকেই যায়। 

রাজধানীর সড়কে যানবাহন এবং লোকজনের সংখ্যা তুলনামূলক অনেক কম। তবে রাজধানী ফাঁকা হতে থাকলেও বসুন্ধরা, মৌচাক, পল্টন, বেইলি রোড, নিউ মার্কেট ও পুরান ঢাকার মার্কেটসহ প্রধান কয়েকটি এলাকায় মানুষের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো। ঈদের আগের শেষ সময়েও কেনাকাটায় ব্যস্ত ছিলেন পুরান ঢাকাবাসী।

ঢাকা ছাড়ার আগে রাবেয়া বেগম নামে এক মহিলা জানান, সপরিবারে রোববার সন্ধ্যায় ঢাকা ছাড়বেন। তাই শেষ সময়ে আত্মীয়-স্বজন ও সন্তানদের জন্য বাকি কেনাকাটা শেষ করতে এসেছেন। মার্কেট ছাড়াও রিকশা, পাবলিক বাস কিংবা নিজস্ব পরিবহনে অনেকেই ছুটছেন মহাখালী, গুলিস্তান, আরামবাগ, সায়দাবাদ ও গাবতলীসহ বেশ কিছু বাসস্ট্যান্ড ও কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের পানে।

এইচএম/এমএইউ

আরও পড়ুন