• ঢাকা
  • রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৩০ ভাদ্র ১৪২৬
প্রকাশিত: জুন ৮, ২০১৯, ০৯:৩৯ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জুন ৮, ২০১৯, ০৯:৩৯ পিএম

পাসপোর্ট ছাড়াই পাইলট কাতারে

ইমিগ্রেশন পুলিশের এসআই কামরুজ্জামান সাময়িক বরখাস্ত

জাগরণ প্রতিবেদক
ইমিগ্রেশন পুলিশের এসআই কামরুজ্জামান সাময়িক বরখাস্ত
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-ফাইল ছবি

বিমানের পাইলট ফজল মাহমুদ চৌধুরীর পাসপোর্ট না দেখে কাতারে যাওয়ার অনুমতি দেয়ার ঘটনায় ইমিগ্রেশন পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামরুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

শনিবার (৮ জুন) এক আদেশে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার ইসমাইল হোসেন।

গণমাধ্যমকে তিনি জানান, অসচেতনতা ও দায়িত্ব পালন না করার কারণে এসআই কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

ইমিগ্রেশন পুলিশ জানায়, গত ৫ জুন (বুধবার) রাতে ফ্লাইটে যাওয়ার আগে পাইলট ফজল মাহমুদের কাছে পাসপোর্ট আছে কিনা জানতে চাওয়া হয়। তখন তিনি ব্যাগে পাসপোর্ট থাকার কথা জানান। বিমানের পাইলট ও ক্রুরা যেহেতু নিয়মিত যাতায়াত করেন, তাই সরল বিশ্বাসে ক্রু আইডি দিয়ে পাইলট ফজল মাহমুদের ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। 

গত ৫ জুন (বুধবার) রাতে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট নিয়ে কাতারের উদ্দেশে রওনা করেন পাইলট ফজল মাহমুদ চৌধুরী। কিন্তু দোহার হামাদ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে ফ্লাইট অবতরণের পর নিজের পাসপোর্ট খুঁজে পাননি ফজল মাহমুদ। তার দাবি, ভুল করে অন্য একটি ব্যাগে থাকা পাসপোর্টটি দেশে রেখে এসেছিলেন। পরে দেশ থেকে পাসপোর্ট পাঠানোর পর কাতারে ইমিগ্রেশনের কার্যক্রম সম্পন্ন করেন তিনি। 

বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়, কাতার ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ফজল মাহমুদকে আটক করেছে। তবে বিমানের পক্ষ থেকে তাকে আটক করা হয়নি উল্লেখ করে শুক্রবার (৮ জুন) ব্যাখ্যা দেয়া হয়। 

পাসপোর্ট না থাকায় কাতার ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে তিনি ‘আটক’ হয়েছেন উল্লেখ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে শুক্রবার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও পৃথক আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

এসএমএম

Islami Bank