• ঢাকা
  • শনিবার, ২৫ মে, ২০১৯, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
Bongosoft Ltd.
প্রকাশিত: মে ১৫, ২০১৯, ০৯:৪৪ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : মে ১৬, ২০১৯, ১০:০০ পিএম

অধ্যক্ষের ভুল তথ্যে অনিশ্চয়তায় ২৩ শিক্ষকের চাকরি

কালীগঞ্জ (গাজীপুর) সংবাদদাতা
অধ্যক্ষের ভুল তথ্যে অনিশ্চয়তায় ২৩ শিক্ষকের চাকরি

গাজীপুরের কালীগঞ্জ সরকারি শ্রমিক কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফেরদৌস মিয়ার ভুল তথ্যে ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২৩ শিক্ষকের চাকরি সরকারিকরণের জটিলতার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির ওই শিক্ষকদের চাকরিও অনিশ্চয়তায় পড়েছে।

বুধবার (১৫ মে) সকালে ভুক্তভোগী শিক্ষকরা অধ্যক্ষের কক্ষে গিয়ে ওই অধ্যক্ষসহ যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্যদের ওপর ক্ষুব্ধ হন। এ সময় তারা সাংবাদিকদের কাছে তাদের চাকরির অনিশ্চয়তার বিষয়টি জানান।

এদিকে কলেজে অস্থিতিশীল পরিবেশ বিরাজের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শিবলী সাদিক। এ সময় তিনি ভুক্তভোগী শিক্ষক, যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য ও অধ্যক্ষের বক্তব্য শোনেন। পরে তিনি সবাইকে নিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সকলের প্রতি অনুরোধ করেন। পাশাপাশি তিনি ভুক্তভোগী শিক্ষকের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষকরা জানান, ২০১৭ সালে কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজটিসরকারীকরণ করা হয়। এখানে ৪৪ জন এমপিওভুক্ত শিক্ষক রয়েছেন।কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি সরকারীকরণের পর থেকে সরকারি বিধি মোতাবেক ওই সংখ্যক শিক্ষকের সরকারীকরণের জন্য শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক শিক্ষকদের বিভিন্ন তথ্য চেয়ে একটি ফরম প্রেরণ করা হয়, যাতে ওই শিক্ষকদের সরকারীকরণের জন্য বিভিন্ন প্রকার তথ্য চাওয়া হয়। পরে এ ব্যাপারে শ্রমিক কলেজ অধ্যক্ষ মো. ফেরদৌস মিয়া কলেজের ৫ শিক্ষককে দিয়ে একটি যাচাই-বাছাই কমিটি গঠন করেন। সেই যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্যসহ কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ওই ফরমে ২৩ শিক্ষকের ভুল তথ্য দিয়ে শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগীও ওই শিক্ষকরা।

এ ব্যাপারে সরকারি শ্রমিক কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফেরদৌস মিয়া বলেন, ভুক্তভোগী শিক্ষকদের অভিযোগ সত্য নয়। তবে বিষয়টি আমলে নিয়ে তাদের তথ্য ফরম পুনরায় যাচাই-বাছাই করা হবে। এতে যদি কোনো ভুলত্রুটি পাওয়া যায়, সেগুলো সংশোধন করা হবে।

কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শিবলী সাদিক বলেন, ‘উভয় পক্ষের কথা শুনেছি।কয়েকজনের বক্তব্যে কিছুটা সত্যতাও মিলেছে। তবে প্রতিষ্ঠানটি যেহেতু সরকারি তাই ভুক্তভোগী শিক্ষকদের লিখিত অভিযোগ করতে বলেছি।অভিযোগ পেলে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 

এনআই

Space for Advertisement