• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৯ আশ্বিন ১৪২৬
প্রকাশিত: জুন ১২, ২০১৯, ০৫:৫০ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জুন ১২, ২০১৯, ০৫:৫০ পিএম

মোরেলগঞ্জে আ.লীগের দুই নেতা হত্যা মামলা

ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৫৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল

মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) সংবাদদাতা
ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৫৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল
দৈবজ্ঞহাটি ইউপির চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম ফকির ছবি : জাগরণ

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই নেতা হত্যার ঘটনায় দলীয় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৫৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ।

দীর্ঘ ৮ মাস তদন্ত শেষে বুধবার (১২ জুন) বাগেরহাট আমলি আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও থানার ওসি (তদন্ত) ঠাকুর দাস মন্ডল চার্জশিট দাখিল করেন। মামলার বাদী মো. ফরিদ আহম্মেদ এ সময় তার সাথে ছিলেন।

চার্জশিটে মোট ৫৮ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। যার প্রধান অভিযুক্ত হচ্ছেন দৈবজ্ঞহাটি ইউনিয়ন পরিষদের আ’লীগ দলীয় চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম ফকির (৫৫)। অপর অভিযুক্তদের মধ্যে পরিষদের ৫ জন মেম্বর, ১ জন দফাদার, ১ জন চৌকিদারসহ একই দলের নেতাকর্মীরা রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে ৩০২ ধারাসহ ১৪টি ধারায় অপরাধের প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ।

গত ১ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে দৈবজ্ঞহাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আনছার আলী দিহিদার (৫২) ও শুকুর শেখকে (৪০) বাড়ি থেকে ধরে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে পিটিয়ে, কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়।

চার্জশিটে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ নেতা আনছার আলী ও শুকুর শেখের হত্যা মিশনে সরাসরি অংশ নেন ১৯ জন, যার নেতৃত্ব দেন চেয়ারম্যান শহিদুল ফকির। এ জোড়া হত্যাকাণ্ডে মোট ৫৮ জনের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে পুলিশ। মামলার বাদী নিহত শুকুর শেখের ভাই ফারুক আহম্মেদ দাখিলকৃত চার্জশিটে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ঠকুর দাশ মন্ডল বলেন, জোড়া হত্যার ঘটনায় থানা ও কোর্টে পৃথক ৩টি মামলায় মোট ৭৪ জনকে আসামি করা হয়েছিল। তদন্তে কিছু বাদ পড়েছে, কয়েকজনের নাম যুক্ত হয়েছে। চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার তদন্তে স্থানীয় ৫৪ জনসহ মোট ৮২ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। 

ঘটনার দিন (১ অক্টোর ২০১৮) থেকে তদন্ত চলাকালে পুলিশ এ মামলার আলামত হিসেবে একটি সিঙ্গেল শর্ট এলজি, ৬ চেম্বারের একটি রিভলবার, ১২ বোরের একটি শর্টগান, শরীর থেকে বের করা গুলির দুটি ধাতব পিলেট, ১২ বোরের ২ রাউন্ড ফায়ার্ড কার্তুজ, ১ রাউন্ড ৯ এমএম ক্যালিবারের ফায়ার্ড কার্তুজ, রক্তমাখা দা, লাঠি, ছোরা, কুড়ালসহ অনেক আলামত জব্দ করেছে।

মামলার প্রধান আসামি শহিদুল ফকিরসহ ২৬ জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। উচ্চ আদালত থেকে সাময়িক জামিনে আছেন ১ জন ও পলাতক ৩১ জন।

এনআই

Islami Bank