• ঢাকা
  • সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৮ আশ্বিন ১৪২৬
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯, ০৩:৪২ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯, ০৩:৪২ পিএম

পঞ্চগড়ে ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ ও গৃহশিক্ষক গ্রেপ্তার

পঞ্চগড় সংবাদদাতা 
পঞ্চগড়ে ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ ও গৃহশিক্ষক গ্রেপ্তার

পঞ্চগড়ে পৃথক দুই ধর্ষণের ঘটনায় দুই অভিযুক্ত এক গৃহশিক্ষক ও এক বৃদ্ধকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

পুলিশ জানায়, পঞ্চগড় শহরের পশ্চিম মোলানি এলাকার ৭ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত আশরাফ আলী (৫৮) শিশুটির সম্পর্কে প্রতিবেশি দাদা। প্রতিবেশি হওয়ায় শিশুটি আশরাফের বাড়িতে যাতায়াত করতো। মঙ্গলবার দুপুরে আশরাফ শিশুটিকে ধর্ষণ করে। এ সময় শিশুটির চিৎকারে প্রতিবেশিরা এসে তাকে উদ্ধার করে ও আশরাফকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। রাতে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে আশরাফকে আসামি করে সদর থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আশরাফকে বুধবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। 

এদিকে, শহরের মসজিদপাড়া এলাকার দশম শ্রেণি পড়ুয়া মুসলিম এক কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দৈহিক মেলামেশা ও ধর্ষণের অভিযোগে গৃহশিক্ষক জগদীশ চন্দ্র রায়কে (৩০) পুলিশ গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলার মহলবাড়ি এলাকার সুরেন চন্দ্রের ছেলে ও পঞ্চগড় মকবুলার রহমান সরকারি কলেজে হিসাববিজ্ঞান বিভাগে মাস্টার্স শেষ বর্ষের ছাত্র। গত ৫ বছর ধরে ওই ছাত্রীকে গৃহশিক্ষক হিসেবে পড়িয়ে আসছে জগদীশ। ওই কিশোরী যখন সপ্তম শ্রেণিতে পড়তো তখনই মুসলিম হয়ে বিয়ে করার প্রলোভন দেখিয়ে ওই ছাত্রীর সাথে তিনি দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। সম্প্রতি ওই কিশোরী তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে জগদীশ বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। গত ৪ সেপ্টেম্বর ওই কিশোরী তার সাথে দৈহিক সম্পর্কে অস্বীকৃতি জানালেও জোর করে ধর্ষণ করে জগদীশ। পরে বিষয়টি ওই কিশোরী তার পরিবারকে খুলে বললে গত ৯ সেপ্টেম্বর জগদীশকে আটক করে স্থানীয়রা পুলিশে সোপর্দ করে। 

পঞ্চগড় সদর থানার ওসি আবু আক্কাস আহমদ বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে পৃথক পৃথক মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ওই শিশু ও কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা ও ২২ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে।

কেএসটি

আরও পড়ুন

Islami Bank