• ঢাকা
  • সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৭ আশ্বিন ১৪২৬
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯, ০৯:৫৮ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯, ০৯:৫৮ পিএম

শেবাচিমে ডেঙ্গুতে স্কুলছাত্রের মৃত্যু, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ

বরিশাল সংবাদদাতা
শেবাচিমে ডেঙ্গুতে স্কুলছাত্রের মৃত্যু, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত ফারহাদ হোসেন জিহাদ (১৪) নামের এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

জিহাদ বরিশালের মুলাদী উপজেলার চরলক্ষ্মীপুর গ্রামের বাবুল আহমেদের ছেলে এবং চরলক্ষ্মীপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র ছিল।

এদিকে ডেঙ্গু আক্রান্ত স্কুলছাত্রের মৃত্যু নিয়ে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে। সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা দেয়া হয়নি বলে অভিযোগ জিহাদের স্বজনদের।

জিহাদের মামা মিলন বলেন, মঙ্গলবার  (১০ সেপ্টেম্বর) বিকালে জ্বরে অসুস্থ হয়ে পড়ে জিহাদ। এ জন্য তাকে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নেয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ডেঙ্গু ধরা পড়ে। এ জন্য চিকিৎসকদের পরামর্শে মঙ্গলবার রাত পৌনে ৯টার দিকে জিহাদকে শেবাচিম হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।

জিহাদের মামা আরো অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার রাতে ভর্তি করার পর একজন ইন্টার্ন চিকিৎসক এসে চিকিৎসা এবং স্যালাইন দিয়ে চলে যান। এর পর আর কোনো চিকিৎসকের খোঁজ পাওয়া যায়নি। ইন্টার্ন চিকিৎসকের দেয়া চিকিৎসায় রোগীর শারীরিক উন্নতি দূরের কথা, আরো অবনতি ঘটে।

মিলন বলেন, বুধবার বেলা ১১টার পর চিকিৎসকরা আসেন রোগীর কাছে। অবস্থা খারাপ দেখে দ্রুত কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে বলেন। ওই পরীক্ষাগুলো করতে নিলে জিহাদ আরো অসুস্থ হয়ে পড়ে। এ জন্য দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চিকিৎসক দ্রুত তার শরীরে রক্ত দেয়ার পরামর্শ দেন। রক্ত সংগ্রহ করে তা জিহাদের শরীরে দেয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো যায়নি। দুপুর দেড়টার দিকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে জিহাদ।

তবে হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. বাকির হোসেন বলেন, স্বজনরা এমন কোনো অভিযোগ আমাদের জানায়নি। তা ছাড়া ডেঙ্গু রোগীদের ক্ষেত্রে আমরা সব সময় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকি। তাদের সার্বক্ষণিক মনিটরিং করেন আমাদের চিকিৎসকরা।

তিনি বলেন, জিহাদ নামের যে রোগীর মৃত্যু হয়েছে, তার শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না। একদম শেষ পর্যায়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ কারণেই তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

এনআই

আরও পড়ুন

Islami Bank