• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৯, ৮ কার্তিক ১৪২৬
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯, ১০:১৪ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯, ১০:১৪ পিএম

ইউএনওকে দেখলেই ছুটে আসে শিশু শিক্ষার্থীরা

গুরুদাসপুর (নাটোর) সংবাদদাতা
ইউএনওকে দেখলেই ছুটে আসে শিশু শিক্ষার্থীরা
ইউএনও তমাল হোসেনকে দেখে তাকে ঘিরে ধরে শিশু শিক্ষার্থীরা  -  ছবি : জাগরণ

ইউএনওকে দেখলেই ভালোবাসার টানে ছুটে আসে শিশু শিক্ষার্থীরা। কেননা ছোট থেকেই শিশুদের প্রতি তার এক অন্য রকম ভালোবাসা।

বলা হচ্ছে নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তমাল হোসেনের কথা। গত ১১ জুন গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে যোগদান করেন। তার পর থেকেই কাজের ফাঁকে পরিদর্শনে যান উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। সবাই তার কাছে মনের কথা খুলে বলতে পারে। তিনিও চেষ্টা করেন সমাধানের। যোগদানের পর থেকে সময় পেলেই বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সময় দেন। ইউএনও তমাল হোসেনের ব্যক্তিগত টাকা দিয়ে অসহায়, মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সময় পোশাক, খাবারসহ আর্থিক অনুদান দিয়ে সহযোগিতা করেন।

শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ‘তথ্য আপা’ প্রকল্পে প্রধান অতিথি হিসেবে নারীদের মাঝে বক্তব্য শেষে বের হতেই পাশের ধারাবারিষা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীরা তাকে দেখে ছুটে আসে। নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে শিশুদের দুপুরে খাবার খাওয়ান এই কর্মকর্তা। গরিব ও অসহায় শিক্ষার্থীদের সব সময় তিনি সহযোগিতা করেন। গত ঈদেও কয়েকটি পরিবারের শিশুদের মাঝে ঈদের নতুন পোশাক উপহার দিয়েছিলেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তমাল হোসেন বলেন, ‘সময় পেলেই আমি শিশুদের সাথে সময় কাটাই। তাদের মাঝে যতক্ষণ থাকি আমার অনেক ভালো লাগে। কারণ তারাই তো বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার হাতিয়ার।’

এনআই

আরও পড়ুন