• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৯, ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
প্রকাশিত: নভেম্বর ৪, ২০১৯, ০৫:৩১ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : নভেম্বর ৪, ২০১৯, ০৫:৩১ পিএম

পাওনা টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে বন্ধু নিহত

বরিশাল সংবাদদাতা
পাওনা টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে বন্ধু নিহত

পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে বরিশাল নগরীতে বন্ধুর ছুরির আঘাতে অপর বন্ধু নিহত হয়েছে। সোমবার (৪ নভেম্বর) নগরীর আমানতগঞ্জ মুর্গির ফার্মের সামনে এই ঘটনা ঘটে। নিহত রুহুল আমিন (২৪) নগরীর উত্তর আমানতগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা এবং বাজার রোড প্রিয় ভান্ডারের কর্মচারী। তিনি ভোলা সদর উপজেলার ধীঘলদী এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে।

হামলাকারী সুমন আমনতগঞ্জ ইসলামিয়া কলেজের পেছনে মসজিদ সংলগ্নের বাসিন্দা মকবুল হোসেনের ছেলে এবং পেশায় সে একজন প্রাইভেটকার চালক। তার গ্রামের পটুয়াখালীতে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের বন্ধু সোহাগ জানায়, ‘রুহুল আমিন তার বন্ধু সুমনের কাছে ২০ হাজার টাকা পাবে। তাছাড়া রুহুল আমিনের কাছে ৬ হাজার টাকা পাবে সুমন। সোমবার সকালে রুহুল মোবাইল ফোনে সুমনের কাছে টাকা চায়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরবর্তীতে বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে আমানতগঞ্জ কসাইবাড়ির পুল এলাকায় তাদের দু’জনের দেখা হয়। সেখানে পুনরায় কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির এক পর্যায় সুমনের সাথে থাকা চাকু দিয়ে রুহুলের হাতে ও গলায় কোপ দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে থাকা সোহাগ ও রিপন মুমূর্ষ অবস্থায় রুহুলকে উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে যায়। এসময় জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

নিহতের শ্বশুর শফিউল ইসলাম জানান, রুহুলের ১৪ মাসের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। ইতিপূর্বে সে ঢাকায় চাকরি করত। সেখান থেকে বরিশালে এসে বাজার রোডে চাকরি নেয়। রুহুল ও সুমন একে অপরের বন্ধু। তবে কি কারণে রুহুলের ওপর এ হামলা তা জানেন না বলে দাবি করেছেন তিনি।

বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আসাদুজ্জামান জানান, ‘পাওয়া টাকা নিয়ে বিরোধের জের ধরে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে শোনা যাচ্ছে। তাছাড়া হামলাকারী শনাক্ত হয়েছে। তাকে গ্রেফতার এবং হত্যার কাজে ব্যবহৃত চাকু উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

কেএসটি

আরও পড়ুন