• ঢাকা
  • বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
প্রকাশিত: নভেম্বর ১৩, ২০১৯, ০৫:১৪ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : নভেম্বর ১৩, ২০১৯, ০৫:১৪ পিএম

টাঙ্গাইলে কালীমন্দিরের তালা ভেঙে ৬টি প্রতিমা ভাঙচুর

টাঙ্গাইল সংবাদদাতা
টাঙ্গাইলে কালীমন্দিরের তালা ভেঙে ৬টি প্রতিমা ভাঙচুর
সিলিমপুর উত্তরপাড়া সেনবাড়ী সর্বজনীন কালীমন্দিরে ভাঙচুরকৃত প্রতিমা - ছবি : জাগরণ

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে কালীমন্দিরের তালা ভেঙে ৬টি প্রতিমা ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। এর মধ্যে প্রতিমার ৩টি মাথা কেটে ফেলে রেখে যায় এবং ৩টি মাথা নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (১৩ নভেম্বর) ভোর রাতে উপজেলার সিলিমপুর উত্তরপাড়া সেনবাড়ী সর্বজনীন কালীমন্দিরে এ ঘটনা ঘটে। এতে হিন্দু সমাজের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

মন্দির কমিটির সভাপতি প্রতিশ চন্দ্র সেন বলেন, ‘ভোরে ঘুম থেকে উঠে মন্দিরের সামনে এসে দেখি কে বা কারা মন্দিরের ভেতরে থাকা মূর্তিগুলোর মাথা কেটে ফেলে রেখেছে এবং মাথা নিয়েও গেছে। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।’

এদিকে মন্দির ভেঙে প্রতিমা ভাঙচুরের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সেই সাথে তাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারী, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোজহারুল ইসলাম তালুকদার, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনছার আলী বিকম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম আরা নীপা, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুদীপ কুমার দত্ত মানু, সাধারণ সম্পাদক গোবিন্দ চন্দ্র সাহাসহ হিন্দু সমাজের নেতারা।

কালিহাতী উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গোবিন্দ চন্দ্র সাহা বলেন, সুরক্ষিত মন্দিরের তালা ভেঙে প্রতিমা ভাঙচুর অত্যন্ত গর্হিত কাজ। এর আগে ২০১৪ সালেও এই এলাকার চাটিপাড়া গ্রামে মন্দির ভাঙচুর করে দুর্বৃত্তরা। তখন কোনো আসামির বিচার হয়নি। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই, যাতে ভবিষ্যতে মন্দির কিংবা প্রতিমা ভাঙার সাহস কেউ না পায়।

হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারী এমপি বলেন, কালিহাতী উপজেলায় হিন্দু-মুসলিম একসাথে মিলেমিশে বসবাস করি। কোনো গোষ্ঠী বা চক্র পরিবেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তাদের কঠোরভাবে দমন করা হবে।

টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলাম ও জেলা পুলিশ সুপার রঞ্জিত কুমার রায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, দুষ্কৃতকারীরা রাতের অন্ধকারে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। আমরা খুব দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনব।

কালিহাতী থানার ওসি হাসান আল মামুন বলেন, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এনআই

আরও পড়ুন