• ঢাকা
  • সোমবার, ০৯ ডিসেম্বর, ২০১৯, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
প্রকাশিত: নভেম্বর ১৯, ২০১৯, ১২:০৬ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : নভেম্বর ১৯, ২০১৯, ১২:০৬ পিএম

সাতক্ষীরায় চলছে দ্বিতীয় দিনের মতো বাস ধর্মঘট

সাতক্ষীরা সংবাদদাতা 
সাতক্ষীরায় চলছে দ্বিতীয় দিনের মতো বাস ধর্মঘট

সাতক্ষীরায় নতুন আইন সংশোধনের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মত ধর্মঘট করছে বাস শ্রমিকরা। সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) সকাল থেকে কোন বাস ছেড়ে যায়নি। এমনকি বন্ধ রয়েছে অভ্যন্তরীণ রুটের সকল বাস চলাচলও।

তবে যাত্রীবাহী বাস বন্ধ থাকলেও দুই একটি বিআরটিসি বাস চলাচল করতে দেখা গেছে। বাস চলাচল বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন দূর-দূরান্তের যাত্রীরা। ইজিবাইক, মাহেন্দ্র, ভ্যানসহ বিভিন্ন যানবাহনে যাতায়াত করছেন যাত্রীরা।

বাসচালক মিলন সরদার বলেন, নতুন আইন সংশোধন না হলে আমরা বাস চালাবো না। আইনে চালকদের এক তরফাভাবে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। যে জরিমানার বিধান করা হয়েছে সেগুলো চালকরা কখনো পূরণ করতে পারবে না। কেননা চালকরা গরিব মানুষ।

সাতক্ষীরা বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান বলেন, নতুন আইন সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত কোন শ্রমিক বাস চালাতে চায় না। কেন্দ্রীয় শ্রমিক ফেডারেশন থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে ধর্মঘটের কথা উল্লেখ নেই। তবে মৌখিক নির্দেশনায় শ্রমিকরা বাস চালানো বন্ধ রেখেছেন। ২১ ও ২২ নভেম্বর শ্রমিকদের নিয়ে কেন্দ্রীয় শ্রমিক ফেডারেশন মতবিনিময় করে সরকারের কাছে দাবি পেশ করবে।

শ্রমিক নেতা জাহিদুর রহমান আরও বলেন, সাতক্ষীরার অভ্যন্তরীণ রুটগুলোতে বাস চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি তবে শ্রমিকরা বাস চালাবে না জানিয়ে দিচ্ছে। কতদিন বাস চলাচল বন্ধ থাকবে তার কোন সঠিক দিনক্ষণ জানাতে পারেননি তিনি।

সাতক্ষীরা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি সাইফুল করিম সাবু বলেন, শ্রমিকরা স্বপ্রণোদিত হয়ে ধর্মঘটে লিপ্ত হয়েছে। তারা নতুন আইনের আতঙ্কে বাস চালাতে চায় না। দুর্ঘটনা ঘটলে এক তরফাভাবে বাস চালক ও শ্রমিকদের কঠোর ব্যবস্থার বিধান করা হয়েছে নতুন আইনে। দুর্ঘটনা একা হয় না তবুও সব শাস্তি বাস চালক শ্রমিকদের। এটা শ্রমিকরা মানছে না।

তিনি বলেন, নতুন আইনের কিছু বিধান জামিন অযোগ্য ও ৫ লাখ টাকা জরিমানা সেগুলোর সংশোধন করা প্রয়োজন। এছাড়া ট্যাক্স-টোকেনের বিষয়ে শ্রমিকদের কোন আপত্তি নেই। সরকারের কাছ থেকে আইন সংশোধনের আশ্বাস পেলে শ্রমিকরা সড়কে ফিরে যাবে বলে তিনি জানান।

কেএসটি

আরও পড়ুন