• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৯, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২, ২০১৯, ১২:৩১ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ডিসেম্বর ২, ২০১৯, ১২:৩৪ পিএম

চুয়াডাঙ্গায় ধর্মঘট অব্যাহত, লোকসানে যানবাহন মালিকরা

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা
চুয়াডাঙ্গায় ধর্মঘট অব্যাহত, লোকসানে যানবাহন মালিকরা
চুয়াডাঙ্গায় পেট্রোলপাম্পের ধর্মঘট অব্যাহত -ছবি : জাগরণ

১৫ দফা দাবিতে চুয়াডাঙ্গার পেট্রোলপাম্প গুলোতে সোমবার (২ ডিসেম্বর) দ্বিতীয় দিনের মতো অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট অব্যাহত রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে মোটরসাইকেল, বাসসহ বিভিন্ন যানবাহনের মালিক শ্রমিকরা।

জ্বালানি তেল না পেয়ে অনেককে পাম্প থেকে ফিরে যেতে দেখা গেছে। অনেকে শহর থেকে দূরের উপজেলায় যেতে পারছেন না। তেলের অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে বেশ কিছু বাস-ট্রাক।

মোটরসাইকেল চালক সাদ্দাম হোসেন জানান, শহর থেকে আলমডাঙ্গা যাওয়ার জন্য তেল নিতে পেট্রোল পাম্পে আসেন। কিন্তু এসে দেখতে পান স্টেশনগুলোর প্রবেশপথ বন্ধ করে রাখা হয়েছে। কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি হচ্ছে না।

চুয়াডাঙ্গায় বসবাসরত সোনালী ব্যাংকে এর কর্মকর্তা জানান, আমি প্রতিদিন সকালে চুয়াডাঙ্গা শহর থেকে দামড়হুদা উপজেলা দর্শনা সোনালী ব্যাংকে সুবাদে আমাকে যেতে হয়। প্রতিদিনের ন্যায় আজ সকালে তেল নিতে এসে দেখি তেল বিক্রি বন্ধ। তাই মোটরসাইকেল বাসায় রেখে বাসে করে অফিসে যেতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গার ফিলিং স্টেশনগুলোর মালিকরা জানান, ১৫ দফা দাবিতে অনির্দিষ্ট কালের জন্য ধর্মঘট রোববার সকালে থেকে শুরু হয়েছে। সকল পেট্রোল পাম্প থেকে জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে।

এদিকে, বাস মালিকরা লোকসানের কথা তুলে ধরে তারা জানান, চুয়াডাঙ্গা জেলা থেকে ঢাকাসহ বিভিন্ন রুটে ২ শতাধিক যাত্রীবাহী বাস চলাচল করে। আঞ্চলিক রুটে চলাচলকারী বাসগুলো থেকে প্রতিদিন ২ হাজার ৫ শ টাকা ও দূরপাল্লার বাসগুলো থেকে প্রতি ট্রিপ প্রতি ১০ হাজার টাকায় আয় পান মালিকেরা। এর মধ্যে শ্রমিকদের বেতন-ভাতাসহ বাসের মেরামত কাজে কিছু টাকা ব্যয় হয়। কিন্তু পেট্রোল পাম্পের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট থাকলে অনাহারে থাকতে হতে পারে শ্রমিকদের। বাস চলাচল বন্ধ হয়ে থাকলে লোকসান গুনতে হবে মালিকদের।

চুয়াডাঙ্গা জ্বালানি, পেট্রোলপাম্প ট্যাংকলরী মালিক সমিতির সভাপতি হাবিল হোসেন জানান, সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতিসহ ১৫ দফা দাবি বাস্তবায়নে এই ধর্মঘট শুরু করা হয়েছে। সোমবার সকাল ১১টায় কেন্দ্রীয় বৈঠক রয়েছে। বৈঠকে সিদ্ধান্ত’র পর ব্যবস্থ্য গ্রহণ করা হবে।

ট্র্যাংকলরির ভাড়া বৃদ্ধি, জ্বালানি তেল বিক্রিতে ৭.৫ ভাগ কমিশন, প্রিমিয়ান পরিশোধ স্বাপেক্ষে ট্যাংকলরী শ্রমিকদের ৫ লাখ টাকা দুর্ঘটনা বীমা চালুসহ ১৫ দফা দাবী আদায়ে রোববার থেকে খুলনা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সকল জেলায় অনির্দিষ্টকালের কর্ম-বিরতির ডাক দেয় ট্যাংকলরী মালিক-শ্রমিক ও জ্বালানী তেল ব্যবসায়ীরা।

একেএস
 

আরও পড়ুন