• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৭ আগস্ট, ২০২০, ২৩ শ্রাবণ ১৪২৭
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৫, ২০১৯, ০৮:৫৬ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ডিসেম্বর ৫, ২০১৯, ০৮:৫৭ পিএম

বিশ্ববিদ্যালয় হবে গবেষণা আর সৃজনশীলতার দ্বার : রাষ্ট্রপতি

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা
বিশ্ববিদ্যালয় হবে গবেষণা আর সৃজনশীলতার দ্বার : রাষ্ট্রপতি
চুয়েটে সমাবর্তনে বক্তব্য রাখছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ -ছবি : জাগরণ

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। যেখানে ছাত্রদের অন্তর্নিহিত মেধার সৃজনশীল বিকাশের সকল আয়োজন নিশ্চিত করা হয়। কেবল পুঁথিগত বিদ্যা নয়, বরং দেশ বিদেশের সর্বশেষ তথ্য সমৃদ্ধ শিক্ষা, গবেষণা এবং সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যাতে শিক্ষার্থীরা সম্পৃক্ত হতে পারে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তার দ্বার উন্মোচন করবে।

বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টায় চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত চতুর্থ সমাবর্তনে সভাপতি হিসেবে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রকৌশলীরা হলেন উন্নয়নের কারিগর। তাদের মেধা-মননে প্রণীত হবে উন্নয়নের রূপরেখা। প্রকৌশল শিক্ষা যদিও হাতে-কলমে, তবুও এখানেও সৃজনশীলতার প্রচুর সুযোগ রয়েছে। প্রকৌশলীদের জ্ঞানের ভিত্তি সুদৃঢ় করতে যুগোপযোগী পাঠক্রম ও উন্নত পাটদানের ব্যবস্থা থাকতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় দেশ। এদেশে রয়েছে বিপুল মানবসম্পদ, উর্বর কৃষিখাত ও সম্ভাবনাময় প্রাকৃতিক সম্পদ। জনবহুল এ দেশটিকে সমৃদ্ধশালী করতে হলে প্রয়োজন পরিকল্পিত উপায়ে সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ইতোমধ্যেই আমরা স্বাধীনতার ৪৮ বছর পার করেছি। মহান মুক্তিযুদ্ধে রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক মুক্তির যে লক্ষ্য ছিল, তা আমরা এখনও পুরোপুরি অর্জন করতে পারিনি। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মাধ্যমে সে পথ রুদ্ধ করে দেয়া হয়েছে। বন্ধ হয় বাকস্বাধীনতা, চিন্তা ও মতামতের স্বাধীনতা।

তিনি বলেন, নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আজ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীকে সামনে রেখে একটি তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক জ্ঞাননির্ভর দেশ গঠনে রূপকল্প ২০২১ ও রূপকল্প ২০৪১ ঘোষণা করেছেন।

এবারের সমাবর্তনে স্নাতক ও স্নাতোকোত্তর করা ২ হাজার ২৩১ জন শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি প্রদান করা হচ্ছে। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী।

একেএস


 

আরও পড়ুন