• ঢাকা
  • সোমবার, ০৬ জুলাই, ২০২০, ২১ আষাঢ় ১৪২৭
প্রকাশিত: জানুয়ারি ২১, ২০২০, ০৬:০১ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ২১, ২০২০, ০৬:০১ পিএম

ইবিতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৩০

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা
ইবিতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৩০
ইবি ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ  -  ছবি : জাগরণ

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) বেলা ১১টা ও দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক এলাকায় সভাপতি-সম্পাদক গ্রুপের সঙ্গে বিদ্রোহী গ্রুপের দুই দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে সাধারণ সম্পাদক রাকিবসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা চলতে থাকে। প্রায় চার মাস পর কর্মীদের নিয়ে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ক্যাম্পাসে প্রবেশের খবরে সকাল থেকে দলীয় টেন্টে অবস্থান নেন বিদ্রোহী গ্রুপের নেতাকর্মীরা। অপরদিকে সভাপতি-সম্পাদক গ্রুপের কর্মীরা প্রধান ফটক এলাকায় অবস্থান নেন। পরে বেলা ১১টায় টেন্ট থেকে নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে ফটকের দিকে গেলে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ হয়। এতে চারজন আহত হন।

পরে দুপুর ২টার দিকে ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম পলাশ ও সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিব বিশ্ববিদ্যালয় থানা গেট থেকে প্রধান ফটকের দিকে এলে ২য় দফা মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে উভয় গ্রুপের নেতাকর্মীদের হাতে লাঠি-সোঁটাসহ দেশীয় অস্ত্র দেখা যায়। এ সময় তিনটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় প্রধান ফটক এলাকা। সংঘর্ষের একপর্যায়ে সভাপতি-সম্পাদক গ্রুপের কর্মীরা পালিয়ে যান। এতে সাধারণ সম্পাদক রাকিব গুরুতর আহত হন। এছাড়া উভয় গ্রুপের প্রায় ২৫ জন আহত হন। আহতদের প্রক্টরিয়াল বডির সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে এবং কয়েকজনকে কুষ্টিয়া মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।

পরে বিদ্রোহী গ্রুপের নেতাকর্মীরা খুলনা-কুষ্টিয়া মহাসড়ক অবরোধ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক অবরোধ করেন। এর আধা ঘণ্টা পর যাত্রীদের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে মহাসড়ক অবরোধ তুলে নিয়ে প্রধান ফটকে অবস্থান নেন বিদ্রোহী গ্রুপের নেতা-কর্মীরা।

এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর আনিচুর রহমান বলেন, গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী সকাল থেকে প্রধান ফটকে অতিরিক্ত পুলিশ ও র‌্যাব মোতায়েন ছিল। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছি। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত করে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আরিফ বলেন, সংঘর্ষের সময় ঘটনাস্থলে ছিলাম। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছি। একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।

এনআই

আরও পড়ুন