• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১৫ ফাল্গুন ১৪২৬

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা

মুজিববর্ষ
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২০, ০৯:২৯ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২০, ০৯:২৯ পিএম

মৌলভীবাজারে ৭ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিল পরিবেশ অধিদপ্তর

মৌলভীবাজার সংবাদদাতা
মৌলভীবাজারে ৭ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিল পরিবেশ অধিদপ্তর
পরিবেশ অধিদপ্তরের গুঁড়িয়ে দেয়া একটি অবৈধ ইটভাটা  -  ছবি : জাগরণ

সনাতন পদ্ধতিতে পরিবেশবান্ধব উপায়ে ইট তৈরি না করা ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কাগজপত্র না থাকায় মৌলভীবাজারে দুই দিনে ৭টি অবৈধ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। সেই সাথে ইটভাটার মালিককে করা হয়েছে ৬০ লাখ টাকা জরিমানা।

মঙ্গল ও বুধবার (১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি) পরিবেশ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক ইসরাত জাহান পান্নার নেতৃত্বে রাজনগর, কুলাউড়া ও জুড়ী উপজেলায় এই অভিযান চালানো হয়।

বুধবার দুপুরে জুড়ী উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান গুলশান আরা মিলির মালিকাধীন এমকো ব্রিকস, বাবু মিয়ার মালিকানাধীন বাবু ব্রিকস ও তাদের মধ্যখানে বন্ধ একটি ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। এমকো ব্রিকস ও বাবু ব্রিকসকে ৪০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার রাজনগর উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুরালী গ্রামে কাজী খন্দকার ব্রিকসে অভিযান চালানো হয়। পরিবেশবান্ধব উপায়ে ইট তৈরি না করায় ওই ভাটার চুলা ভেঙে প্রস্তুতকৃত ইট গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। অভিযানের সময় ওই ইটভাটার মালিক উপস্থিত না থাকায় তাকে পরিবেশ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।

ওইদিন একই ইউনিয়নের কর্ণিগ্রাম এলাকায় অবস্থিত এসকে ব্রিকস নামে ইটভাটায় অভিযান চালানো হয়। নিয়ম না মেনে কাঠ পোড়ানো ও পরিবেশবান্ধব চুলা না থাকার অভিযোগে ২০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। তাৎক্ষণিক ২ লাখ টাকা আদায় করে বাকি টাকা পরিশোধে সময় দেয়া হয়। এরপর একই ইউনিয়নের এম আর ব্রিকস নামে আরেকটি ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে ভাটার চুলা ভেঙে দেয়া হয়।

সর্বশেষ কুলাউড়া উপজেলার খান ব্রিকসে অভিযান চালিয়ে চুল্লিগুলো গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন পরিবশে অধিপ্তরের মৌলভীবাজারের ইন্সপেক্টর ফখর উদ্দিন চৌধুরী, সিলেটের জুনিয়র কেমিস্ট সানোয়ার হোসেনসহ এপিবিএনের সদস্যরা।

পরিবেশ অধিদপ্তরের মৌলভীবাজার জেলার সহকারী পরিচালক বদরুল হুদা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এনআই

আরও পড়ুন