• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল, ২০২০, ২৬ চৈত্র ১৪২৬
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২০, ০৪:১২ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২০, ০৪:১২ পিএম

ভেঙে গেল শাবনুরের বিয়ে

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা
ভেঙে গেল শাবনুরের বিয়ে
খাবার দিতে দেরি হওয়ায় কথা-কাটাকাটির পর বর ও কনেপক্ষের মারামারি  -  ছবি : জাগরণ

খাবার দিতে দেরি হওয়ায় কথা-কাটাকাটির পর ঘটল মারামারি। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেও রক্ষা করতে পারেনি বিয়ে। এমন ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রামের আনোয়ারায়।

শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে অনুষ্ঠানের শেষ মুহূর্তে উপজেলার সরকারহাট এলাকার আল-আমিন কমিউনিটি সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আনোয়ারা থানার এসআই শামসুজ্জামান বলেন, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মারামারির খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। দুই পক্ষকে শান্ত করি। কিন্তু বরপক্ষের আচরণে কনেপক্ষ মেয়ে দিতে রাজি হয়নি। তাই বরপক্ষ বিয়ে না পড়ে চলে যায়। এ বিষয়ে ১৮ ফেব্রুয়ারি দুই পক্ষকে থানায় আসতে বলেছি।

পুলিশ জানায়, আনোয়ারা উপজেলার মহতরপাড়া গ্রামের শরীফ মেম্বারের বাড়ির রবিউল হোসেনের ছেলে মো. রুবেলের সঙ্গে বাঁশখালী বেলগাঁও গ্রামের হারুনের বাড়ি আব্দুল মোতালেবের মেয়ে শাবনুর আকতারের বিয়ে ঠিক হয়। বিয়ের অনুষ্ঠান চলার একপর্যায়ে বর আসে। বর আসার পর বরকে এবং বরের মাকে খাবার দিতে দেরি হওয়ায় বরের ভাই সোহেল ক্ষিপ্ত হয়ে মারামারি শুরু করে বলে অভিযোগ। একপর্যায়ে কমিউনিটি সেন্টার কর্তৃপক্ষ মারামারি থামানোর চেষ্টা করেও না পারায় পুলিশকে ফোন দেয়। পরে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ বিষয়ে কনের মামা গুরা মিয়া বলেন, খাওয়ার জন্য মানুষ এ রকম করে, আর দেখি নাই। বর আসার পর ভাত দিতে দেরি হওয়ায় তার ভাই লঙ্কাকাণ্ড করে ফেলেছে। আমাদের কয়েকজনকে মেরে আহত করেছে। তার পরও আমরা শান্ত থেকেছি। কিন্তু বরের ভাই, বাবাসহ কেউ শান্ত না হওয়ায় পুলিশ এসে দুই পক্ষকে সমঝোতায় আনতে চেয়েছিল। তবে তাদের আচরণ দেখে আমরা মেয়েকে তুলে দিইনি। প্রায় ৫ লাখ টাকা খরচ করছি। ৫০ হাজার টাকার ফার্নিচার আগে বরের বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছি।

ঘটনার ব্যাপারে বরের ভাই সোহেল বলেন, আমার ভাই আসার ২ ঘণ্টা পরও ভাত দিচ্ছে না, তাই একটু কথা-কাটাকাটি হয়েছে। এ জন্য নাকি ওরা মেয়ে দেবে না। মেয়ের পক্ষ হয়ে এত অহংকার কিসের, তাই আমরাও আনি নাই। মারামারির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন।

এনআই

আরও পড়ুন