• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২০, ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
প্রকাশিত: অক্টোবর ২৫, ২০২০, ১১:৩০ এএম
সর্বশেষ আপডেট : অক্টোবর ২৫, ২০২০, ১১:৩০ এএম

যমুনা থেকে বাড়ি ফেরা হলো না সুবাসের

জাগরণ ডেস্ক
যমুনা থেকে বাড়ি ফেরা হলো না সুবাসের

বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপাড় থেকে তারা মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফিরছিলেন সুবাস পাল। রাত সাড়ে ১০টার দিকে হাতিয়া এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ বেজে উঠলো তার ফোন। হাতে নিয়ে দেখেন মা কল দিয়েছেন। রিসিভ করতেই মা বলে উঠলেন- বাবা কই তুই। উত্তরে ছেলে বললো মা বাড়িতে পৌঁছাতে আমার আর ৫-৭ মিনিট লাগবে। তখন মা বলেছিলেন আয় তাহলে। 

বলার পর ফোনটি কেটে দেন সুবাস পাল। এর ৪ মিনিট পর আবার সুবাস পালের মোবাইল থেকে মায়ের মোবাইলে ফোন। মা ফোনটি রিসিভ করেই বুঝলেন ফোনটি অন্য কেউ করেছে। তখনি শুনলেন চরভাবলা এলাকায় ট্রাকের চাকায় পৃষ্ট হয়ে সুবাস পাল মারা গেছেন।

বাড়ি কাছে হওয়ায় ঘটনাস্থলে তাৎক্ষণিক ছুটে আসেন মা। এসে দেখলেন ছেলেটির দেহ বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আসে। ৫-৭ মিনিটে বাড়ি ফেরার কথা বলে এভাবে আমাদের ছেড়ে চলে গেলি কেন? বলে বার বার জ্ঞান হারাচ্ছেন মা ও ভাই। এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন সুবাস পালের মা।

ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক সুবাস পাল নিহত হন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার চরভাবলা এলাকায় এ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহত মোটরসাইকেল চালক উপজেলার বিল পালিমা এলাকার গিরেন পালের ছেলে।

জাগরণ/এমআর