• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২০, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
প্রকাশিত: অক্টোবর ২৭, ২০২০, ১২:০১ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : অক্টোবর ২৭, ২০২০, ১২:০১ পিএম

কম খরচে লাভ বেশি, শরিফা চাষে বাড়ছে আগ্রহ

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা 
কম খরচে লাভ বেশি, শরিফা চাষে বাড়ছে আগ্রহ

বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চুয়াডাঙ্গায় শুরু হয়েছে শরিফা চাষ। শরিফা একটি সুস্বাধু ফল হওয়ায় এর চাহিদা ব্যাপক। বাজারে দাম ভাল হওয়ায় শরিফা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন চাষিরা। চুয়াডাঙ্গা ও জীবননগরে ৬ বিঘা জমিতে এই সুস্বাধু ফল চাষ হচ্ছে। 

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বাটকেডাঙ্গা গ্রাম ও জীবননগরের রায়পুর গ্রামে ৬ বিঘা জমিতে শরিফা বাগান রয়েছে। প্রতিটি গাছে ২০-৫০ কেজি পর্যন্ত শরিফা পাওয়া যায়। প্রতি কেজি শরিফা বিক্রি হয় আকার ভেদে ২০০ টাকা থেকে সাড়ে ৩০০ টাকা পর্যন্ত। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এর চাহিদা ব্যাপক। 

স্থানীয়রা জানায়, এই ফল চাষ একটি লাভজনক ব্যবসা। খরচ কম হওয়ায় শরিফা চাষে কৃষকরা আগ্রাহ দেখাচ্ছেন। শরিফা বাগান করতে হয় উচুঁ জমিতে, কারণ পানি জমলে গাছ মারা যায়। প্রতি বিঘা জমিতে ১শত-১২০টা গাছ লাগানো যায়। গাছ লাগানোর এক বছর পরেই ফুল আসতে শুরু করে যা সারা বছর ফল দেয়। এক বিঘা জমিতে ১২-১৫ মণ পর্যন্ত শরিফা পাওয়া যায়।

এদিকে, চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে শরিফা চাষ বৃদ্ধির লক্ষে নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বাগান তৈরিতে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। 

জীবননগর রায়পুর গ্রামের শরিফা চাষি সাদ্দাম হোসেন জানান, আমার বড় ভাই সেনাবাহীনিতে চাকরি করার সুবাদে একটি শরিফা গাছের চারা গ্রামের বাড়িতে নিয়ে এসে লাগায়। তারপর গাছ বড় হলে ফল ধরতে শুরু করে। অল্প পরিসরে বাগান করি। শরিফা দাম ভাল ও চাষে খরচ কম হওয়ায় ৩ বিঘা জমিতে চাষ করছি। এটি লাভজনক ব্যবসা।

ঢাকার কারওয়ান বাজারের শরিফা ক্রেতা জহির ব্যাপারী জানান, শরিফার চাহিদা বেশি হওয়ায় আমরা বাগান থেকে কিনে নিয়ে যায়। শরিফা ফল খেতে সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। এক মণ শরিফা কিনলাম প্রতি কেজির দাম ২৮০ টাকা। বাগান মালিককে এক সপ্তাহ আগে ফল কেনার জন্য বায়না দিয়ে রাখি। ঢাকায় নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফল বিক্রি হয়ে যাবে।

এ প্রসঙ্গে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক সুফি মো.রফিকুজ্জামান বলেন, শরিফা একটি অপ্রচলিত ফসল। জেলায় শরিফা চাষ শুরু হয়েছে। এটি উচ্চ মূল্যের একটি ফল। বাজারে দাম বেশি। শরিফা চাষে চাষিরা লাভবান হচ্ছেন। এ জন্য নিয়মিত চাষিদের কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।

জাগরণ/এসকে/এমআর