• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২০, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
প্রকাশিত: অক্টোবর ২৭, ২০২০, ০১:০৫ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : অক্টোবর ২৭, ২০২০, ০১:০৫ পিএম

জোর করে বিয়ের চেষ্টা, ঢাবি ছাত্রীর আত্মহত্যা 

জাগরণ ডেস্ক
জোর করে বিয়ের চেষ্টা, ঢাবি ছাত্রীর আত্মহত্যা 

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার নিজ বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক ছাত্রী।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে রুম্পা (২৫) আটঘরিয়া উপজেলার কন্দর্পপুর ভাড়া বাড়িতে আত্মহত্যা করেন।

জানা গেছে, পাবনার ঈশ্বরদীর সাহাপুর ইউনিয়নের বাবুলচরা গ্রামের মেধাবী শিক্ষার্থী ফারিয়া তাবাসসুম রুম্পা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। তিনি থাকতেন শামসুন্নাহার হলে। রুম্পার বাবা ফরিদ উদ্দিন মন্ডল পেশায় সরকারি চাকরিজীবী। জেলার আটঘরিয়া উপজেলার কন্দর্পপুরে ভাইয়ের সঙ্গে ভাড়া বাসায় ছিলেন রুম্পা। এক সপ্তাহ আগে তার ভাই সোনালী ব্যাংক আটঘরিয়ায় সিনিয়র অফিসার হিসেবে যোগদান করেছেন।

সহপাঠী ও ঘনিষ্ঠজন সূত্রে জানা গেছে, পছন্দের ছেলেকে বাদ দিয়ে অন্যের সঙ্গে জোর করে বিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ায় সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে ভাইয়ের ভাড়া করা বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন রুম্পা।

রুম্পার সহপাঠী হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ক্লাস সেভেন থেকে রুম্পার সঙ্গে একটি ছেলের প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। রুম্পার সঙ্গে যে ছেলের সম্পর্ক ছিল সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র না হওয়ায় রুম্পার পরিবার তাদের সম্পর্ক মেনে নেয়নি। এটা নিয়েই পরিবারে দ্বন্দ্ব চলছিল। হয়তো জোর করেই অন্যত্র বিয়ে দিতে চেয়েছিল পরিবার। আর সে কারণেই রুম্পা আত্মহত্যা করতে পারে বলে তাদের ধারণা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রব্বানী সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি খুবই মর্মান্তিক। আমরা ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট থানায় খবর দিয়েছি। তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা কখনোই কাম্য নয়। 

এ প্রসঙ্গে আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসিফ মোহাম্মদ সিদ্দিকুল ইসলাম জানান, রুম্পা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। পরিবারের লোকজন টের পেয়ে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জাগরণ/এমআর