• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর, ২০২০, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
প্রকাশিত: অক্টোবর ২৮, ২০২০, ১১:০৪ এএম
সর্বশেষ আপডেট : অক্টোবর ২৮, ২০২০, ১১:০৪ এএম

৯ বছর ভোটহীন হালুয়াঘাটের দুই ইউনিয়ন

ময়মনসিংহ সংবাদদাতা 
৯ বছর ভোটহীন হালুয়াঘাটের দুই ইউনিয়ন

দীর্ঘ ৯ বছরের অধিক সময় অতিবাহিত হলেও সীমানা নির্ধারন জটিলতায় বন্ধ রয়েছে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার ৩নং কৈচাপুর ৪নং সদর হালুয়াঘাট ইউনিয়নের স্থানীয় সরকার নির্বাচন। নির্বাচন হবে কি না তার কোন সুস্পষ্টতা না থাকায় ২ ইউনিয়নের মানুষের মধ্যে উৎকন্ঠা বিরাজ করছে। একটি পক্ষ নির্বাচন না হওয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে এমন অভিযোগও রয়েছে।নির্বাচন না হলে কেউ কেউ ব্যক্তি ফয়দা লুটে নিচ্ছে এমন দাবী স্থানীয়দের।

গেজেটে অন্তভুর্ক্ত হয়নাই এমন ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ কারণ চিহ্নিত করে গত ৫ ডিসেম্বর একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি)মো. রেজাউল করিম। কারণগুলোর মাঝে রঘুনাথপুর গ্রাম, আকনপাড়া, হালুয়াঘাট, কালিয়ানীকান্দা, কৈচাপুর, নলুয়া, ইসলামপুর, হালুয়াঘাট বাজার পুর্ব, মনিকুড়া গ্রামের বহু দাগ বাদ পড়েছে গেজেট থেকে। এছাড়া ওয়ার্ড ভিত্তিক ভোটার সংখ্যায় রয়েছে ব্যাপক বৈষম্য।

দীর্ঘ সময়ে জটিলতা নিরসন না হওয়ায় এখন পর্যন্ত নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা নেই এমনটাই জানিয়েছেন স্থানীয় নির্বাচন কর্তৃপক্ষ। তবে সকল বাধা বিপত্তি ও আইনি জটিলতা নিরসন করে নির্ধারিত সময়ে নির্বাচনের দাবী সকলের। 

জানা গেছে, সর্বশেষ ২০১১ সালের ২৯ জুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিলো। নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অতিরিক্ত ৪ বৎসর অতিবাহিত হয়েছে বহু আগেই। গত অনুষ্ঠিত নির্বাচন থেকে ১০ বৎসর চলমান। ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার নির্বাচন যথারিতি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এদিকে সীমানা জটিলতা দেখিয়ে বন্ধ রয়েছে এই দুটি ইউনিয়নের নির্বাচন। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হওয়াই উন্নয়নের ছোঁয়া থেকেও বঞ্চিত এমন অভিযোগ ইউনিয়ন ২ টির মানুষের। 

এ প্রসঙ্গে হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রেজাউল করিম বলেন, সীমানা জটিলতা নিরসনকল্পে চলমান প্রক্রিয়াগুলোর নিস্পত্তি হলেই দ্রুততম সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের বিষয়ে ইতিমধ্যে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। নতুন করে পৌরসভার অথরিটির সাথে কথা বলে ফাইনালি আরেকটা প্রতিবেদন পাঠাতে হবে এই মর্মে কাজ করে যাচ্ছে এসিল্যান্ড। 

জাগরণ/এমআর