• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২১, ২৯ চৈত্র ১৪২৭
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২১, ০৫:০৪ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২১, ০৫:০৪ পিএম

চার শ্রমিক হত্যা

২ জনের ফাঁসি, ৯ জনের যাবজ্জীবন

২ জনের ফাঁসি, ৯ জনের যাবজ্জীবন

নারায়ণগঞ্জে ফতুল্লায় বাল্কহেডে চার শ্রমিক হত্যার দায়ে দুইজনের মৃত্যুদণ্ড ও নয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৭ আদালতের বিচারক মোসাম্মৎ সাবিনা ইয়াসমিন এ আদেশ দেন। 

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের প্রত্যেককে নগদ ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণা সময় সাত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন তাইজুল ইসলাম ওরফে তাইজুল ফিটার ও মহিউদ্দিন ওরফে মহি ফিটার। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন চাঁন মিয়া, দুলাল মিয়া, মজিবর, আবদুল মান্নান, মো. আরিফ, আবদুল জলিল, সাইফুল ইসলাম, দুলাল হোসেন ও শফিকুল ইসলাম। তাঁদের মধ্যে আবদুল জলিল, সাইফুল ইসলাম, দুলাল হোসেন ও শফিকুল ইসলাম পলাতক।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুর রহমান বলেন, এই রায়ে নিহতের পরিবার সঠিক বিচার পেলো। তিনি রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানান।

মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুর রহমান জানান, ২০০৮ সালের ২১ সেপ্টেম্বর শাহপরাণ নামের বাল্কহেড নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার বক্তাবলী এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে থেমে যায়। বাল্কহেডটি মেরামত করার জন্য এর চালক দুই ফিডারম্যান তাজুল ইসলাম ও মহিউদ্দিনকে ফোন করে ডেকে আনেন। মেরামত শেষে বাল্কহেডটি সচল হলে দুই ফিডারম্যান সেটি পরীক্ষা করার কথা বলে রাতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ডাকাতদের যোগসাজশে বক্তাবলীর চরে নিয়ে থামিয়ে দেয়। ওইদিন রাতের কোনো এক সময় দুই ফিডারম্যান সহযোগীদের সঙ্গে নিয়ে চালক নাসির মিয়া, কর্মচারী মঙ্গল, ফয়সাল ও হান্নানকে হাত-পা বেঁধে গলাকেটে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেয়।  এর মধ্যে নাসির ও ফয়সালের লাশ পাওয়া গেলেও মঙ্গল চন্দ্র ও আবদুল হান্নানের লাশ পাওয়া যায়নি।যায়নি।