• ঢাকা
  • রবিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২১, ২৭ চৈত্র ১৪২৭
প্রকাশিত: মার্চ ৭, ২০২১, ০৪:৩৬ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : মার্চ ৭, ২০২১, ০৫:০৫ পিএম

এমসি কলেজে ধর্ষণ

বিচার হবে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে

বিচার হবে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে

সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ঘটনার মামলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল থেকে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের প্রক্রিয়ার কারণে সাক্ষ্যগ্রহণ স্থগিত করেছেন আদালত।

রোববার (৭ মার্চ) সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ঠিক করা হয়েছিল। বেলা সাড়ে ১১টায় সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোহিতুল হকের আদালতে মামলার আট আসামিকে হাজির করা হয়। প্রথম সাক্ষী এবং মামলার বাদী উপস্থিত ছিলেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী শহিদুজ্জামান চৌধুরী বলেন, “আসামিদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং ছিনতাই ও চাঁদাবাজির দুটি মামলা করা হয়। একই আদালতে দুটি মামলা একসঙ্গে বিচারকার্য নিয়ে উচ্চ আদালতের একটি নির্দেশনা রয়েছে। পাশাপাশি দুটি মামলার বিরুদ্ধে বাদী পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের প্রক্রিয়ার কারণে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোহিতুল হক সাক্ষ্যগ্রহণ স্থগিত রাখেন।

আদালত স্থানান্তরের নির্দেশনা হওয়ায় মামলার কার্যক্রম মুলতবি রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পাবলিক প্রসিকিউটর) রাশেদা সাঈদা খানম বলেন, “আদালত স্থানান্তরের নির্দেশনার বিষয়ে আমরা অবহিত হয়েছি। নির্দেশনার গেজেট হাতে এলে মামলার সব নথিপত্র দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হবে এবং সেখানেই বিচারপ্রক্রিয়ার পরবর্তী কার্যক্রম চলবে।”

গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন এক গৃহবধূ। কলেজের গেট থেকে স্বামীসহ তাকে ধরে ছাত্রাবাসে এনে স্বামীকে বেঁধে নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মী সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল ও মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজনকে, রবিউল ও মাহফুজুর। তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেন আদালত। আসামি রবিউল ও মাহফুজুরকে ধর্ষণে সহায়তা করায় অভিযুক্ত করা হয়। আট আসামিই বর্তমানে কারাগারে আছেন। তারা সবাই ছাত্রলীগের নেতাকর্মী হিসেবে পরিচিতি।