• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৩ মে, ২০২১, ৩০ বৈশাখ ১৪২৮
প্রকাশিত: এপ্রিল ১৬, ২০২১, ১০:১৫ এএম
সর্বশেষ আপডেট : এপ্রিল ১৬, ২০২১, ১১:১২ এএম

বেড়েছে লোকসমাগম, মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি

বেড়েছে লোকসমাগম, মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি

নওগাঁয় সর্বাত্মক লকডাউনের তৃতীয় দিন শুক্রবারে বৃদ্ধি পেয়েছে চলাচল। জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলার কাঁচাবাজার, মাছবাজার, পাইকারি বাজার, সাপ্তাহিক হাটগুলোতেও একেবারেই মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। 

করোনাভাইরাস সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জেলা হিসেবে সারা দেশের ২৯টি জেলার মধ্যে নওগাঁকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে সংক্রমণের হার বেশি নওগাঁ সদরে। তাই দিন দিন জেলায় করোনা সংক্রমণের পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতি হচ্ছে। 

সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত বছর করোনাভাইরাসের শুরু থেকে চলতি মাসের ১৬ তারিখ পর্যন্ত জেলা সদরসহ ১০টি উপজেলা থেকে ১৪ হাজার ৯টি নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৮৩৩টি করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৩১ জন রোগী করোনভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। বর্তমানে অন্যান্য উপজেলার চেয়ে সদর উপজেলায় করোনা সংক্রমণের হার অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ হচ্ছে। 

শুক্রবার সকালে জেলা সদরের কাঁচাবাজার, মাছবাজার, পাইকারি বাজারসহ বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে, ন্যূনতম স্বাস্থ্যবিধিও মানা হচ্ছে না। সামাজিক দূরত্ব পালনের বালাই নেই। অনেকেই আবার মাস্ক ছাড়াই চলাফেরা করছেন। 

পুলিশের একাধিক দল শহরের মুক্তির মোড়, থানার মোড়সহ বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে মানুষের চলাচলের ওপর নজরদারি করতে দেখো গেছে। তবু শহরের বিভিন্ন রাস্তায় ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল, রিকশাসহ অন্যান্য ছোট ছোট যানবাহনের চলাচল বৃদ্ধি পেয়েছে।

ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুনজুর এ-মুর্শেদ বলেন, “পুরো জেলার মধ্যে বিশেষ করে জেলা সদরে যেভাবে প্রতিদিন করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেই অনুপাতে কিন্তু আমরা স্বাস্থ্যবিধিগুলো তেমনভাবে মানতে পারছি না। বিশেষ করে আমরা যদি নিজে থেকেই সচেতন না নই তাহলে যতই আইন পাস করা হোক না কেন, তাতে কোনো লাভই হবে না।”

জেলা প্রশাসক মো. হারুন-অর-রশীদ বলেন, “সর্বাত্মক কঠোর লকডাউন বাস্তবায়ন করার জন্য জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রশাসনের একাধিক দল অভিযান পরিচালনা করছে। আগামীতে জনমুখর স্থানগুলোতে নজরদারি কঠোর করা হবে।”