• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন, ২০২১, ১০ আষাঢ় ১৪২৮
প্রকাশিত: জুন ৪, ২০২১, ১০:৪০ এএম
সর্বশেষ আপডেট : জুন ৪, ২০২১, ১০:৪০ এএম

মোঘল স্থাপত্য শৈলীর আদলে নতুন মসজিদ

মোঘল স্থাপত্য শৈলীর আদলে নতুন মসজিদ

মোঘল স্থাপত্য শৈলীর আদলে নির্মাণ হচ্ছে মসজিদ। শেরপুর জেলার সদর উপজেলার পাকুরিয়া ইউনিয়নের বাদাপাড়া গ্রামে প্রতিষ্ঠিত এই  মসজিদটির নাম বিশ্ব ওলি খাজাবাবা ফরিদপুরী (কুঃছেঃআঃ) জামে মসজিদ। এর নির্মাণশৈলী নজর কেড়েছে সাধারণ মানুষদের।বিস্ময়ের দ্যুতি ছড়িয়েছে চারদিকে।

মসজিদটির নির্মাণ কাজ এখনও শেষ হয়নি। তবুও এখনই প্রতিদিন স্থানীয়দের পাশাপাশি বিভিন্ন জেলার থেকে হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মানুষ ও  দর্শনার্থী ছুটে আসেন মসজিদের সৌন্দর্য দেখতে।

কাঠামো নির্মাতা লিমিটেডের সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৭ মাস ধরে এই মসজিদের কাজ চলছে। নির্মাণ ও সৌন্দর্য্য বর্ধন ব্যয় মিলে প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। যার ৫টি গম্বুজ, ৪টি মিনার। ৫টি গম্বুজের মধ্যে ৪টি ছোট, ১টি বড়। ৪টি মিনারের উচ্চতা প্রায় ১০০ ফুট এবং ৫টি গম্বুজ ও ৪টি মিনার একই রকম কারুকার্য ও স্হাপত্য শৈলীর আদলে তৈরি করা হচ্ছে।

এই মসজিদটি চারপাশ থেকে দেখতে একই রকম মনে হবে। মসজিদের মোট ১৩টি দরজা। যা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় কাঠ দুবাই ও  মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে সংগ্রহীত হচ্ছে। ১২টি জানালা থাকছে। যার নকশা ও কারুকার্য কংক্রিট ও কাঠের সংমিশ্রণে তৈরি হচ্ছে। মসজিদের ভিতর প্রবেশ করলে দেখা যাবে দৃষ্টি নন্দন সব ইসলামী স্হাপত্যের নকশা ও কারুকার্য। 

মসজিদের সম্পূর্ণ মেহরাবটি দুবাই থেকে আমদানিকৃত কাঠের তৈরি দৃষ্টি নন্দন সব নকশা ও কারুকার্য দিয়ে তৈরি হচ্ছে। মসজিদের টাইলসগুলো ইতালি ও জার্মানি থেকে আমদানি করা হচ্ছে।

এই মসজিদের একটি অনন্য সাধারণ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, বাহিরে যত তাপমাত্রাই থাকুক না কেন, মসজিদের ভিতরে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার বেশি হবে না। এই মসজিদের ভেন্টিলেশন ও বাস্তু ব্যবস্থাপনা অনেকটাই অটোম্যান সম্রাজ্যের মসজিদের মেহরিনার আদলে তৈরি করা হচ্ছে।

মসজিদটির  নির্মাণ কাজে চুক্তিভিত্তিকভাবে রয়েছে কাঠামো নির্মাতা লিমিটেড। মসজিদটির নির্মাণ ব্যয় বহন করছেন বিশ্ব ওলি খাজাবাবা ফরিদপুরী(কুঃছেঃআঃ)এর ছোট ছেলে পীরজাদা আলহাজ্ব খাজা মোস্তফা আমীর ফয়সল মোজাদ্দেদী। তিনি জাকের পার্টি চেয়ারম্যান। 

শেরপুর জেলা জাকের পার্টির সভাপতি খাজা শ্যামল বলেন, '১৯৯৬ সালে বিশ্ব ওলি খাজাবাবা ফরিদপুরী( কুঃছেঃআঃ) ছাহেব নিজ হাতে এই মসজিদটি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। প্রায় দুই যুগ পর এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয়রা বেশে উৎফুল্ল এবং আনন্দিত।'