• ঢাকা
  • রবিবার, ০১ আগস্ট, ২০২১, ১৬ শ্রাবণ ১৪২৮
প্রকাশিত: জুলাই ১৭, ২০২১, ০৯:৪৯ এএম
সর্বশেষ আপডেট : জুলাই ১৭, ২০২১, ০৩:৪৯ এএম

বৃদ্ধকে ঘুষির ব্যাখ্যা দিলেন কাদের মির্জা

বৃদ্ধকে ঘুষির ব্যাখ্যা দিলেন কাদের মির্জা

হতদরিদ্র বৃদ্ধকে ঘুষি মেরে ফের আলোচনায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। 

গতকাল শুক্রবার সকালে পৌরসভা ভবনের সামনে দরিদ্রদের মধ্যে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণকালে এ ঘটনা ঘটে। এরপর ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। তবে কাদের মির্জার দাবি, সহস্রাধিক মানুষের মধ্যে একসঙ্গে এতগুলো ত্রাণ বিতরণ করার সময় অসাবধানতা কিছু হয়ে থাকতে পারে।

ইচ্ছাকৃত কোনো কিছু করা হয়নি। এক বৃদ্ধ কাপড় পাওয়ার পরও দাঁড়িয়ে থাকায় এবং একাধিকবার বলার পরও তিনি মাস্ক না পরায় তাকে হাত দিয়ে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাকে কোনো আঘাত করা হয়নি। এ বিষয়ে তিনিও কোনো আক্ষেপ করেনি।

শুক্রবার রাত ৯ টা ৪০ মিনিটে কাদের মির্জা নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক স্ট্যাটাসে এ দাবি করেন।

ওই স্ট্যাসাসে তিনি লিখেন, প্রিয় দেশবাসী, আপনারা জানেন মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে লকডাউনে জনজীবন অবরুদ্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে আমি আমার পৌরসভা থেকে নিম্নআয়ের অসহায় মানুষদের জন্য বিভিন্ন সহযোগিতা করে আসছি। আমি সর্বদা চেষ্টা করছি অসহায় দুঃখি মানুষের পাশে থাকতে। আমার পৌরসভা ও আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে শুধু কোম্পানিগঞ্জ নয়, কবিরহাট, দাগনভূঞা, সোনাগাজী, সেনবাগসহ বিভিন্ন এলাকায় সহযোগিতা করে আসছি। কখনও কোনো মানুষ সাহায্য প্রত্যাশা করে আমার কাছ থেকে খালি হাতে ফিরে যাননি।

আজও আমার পৌরসভায় বিভিন্ন অসহায় মানুষদের এক হাজারের বেশি শাড়ি-লুঙ্গি, পাঁচশত জনের বেশি মানুষকে নগদ অর্থ ও প্রায় দুই হাজার জনের মধ্যে চাউল বিতরণ করা হয়েছে। পৌরসভার ছোট্ট আঙিনায় সহস্রাধিক মানুষ একত্রিত হয়ে যাওয়ায় দ্রুততার সহিত কাপড় বিতরণ করতে হয়েছিল। তাই যাদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে তাদের দ্রুত চলে যাওয়ার জন্য বলা হচ্ছিল। তখন একটি মানুষ কাপড় পাওয়ার পরও দাঁড়িয়ে থাকায় তাকে হাত দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাকে কোনো আঘাত করা হয়নি। এ বিষয়ে তিনি কোনো আক্ষেপও করেনি।

স্ট্যাসাসে তিনি আরও লিখেন, সবার কাছে প্রত্যাশা রাখবো, অন্যের সমালোচনা না করে সামর্থ্য অনুযায়ী গরিব মানুষকে সহযোগিতা করুন। একজনের সমালোচনা না করে একটি মানুষকে সহযোগিতা করুন।

জাগরণ/এমআর