• ঢাকা
  • বুধবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৯, ৮ কার্তিক ১৪২৬
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯, ০৮:৫৬ এএম
সর্বশেষ আপডেট : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯, ০৮:৫৮ এএম

স্পাতে অসামাজিক কার্যকলাপ, নারীসহ আটক ১৯

জাগরণ প্রতিবেদক
স্পাতে অসামাজিক কার্যকলাপ, নারীসহ আটক ১৯
স্প্যার আড়ালে অনৈতিক কার্যকলাপে লিপ্ত হতেন আটক এই নারীরা -ছবি : জাগরণ

দুইযুগ আগে থেকে ম্যাসেজ পার্লারের ব্যবসায় নিয়োজিত রফিকুল ইসলাম মাস্টার। ব্যস্ততম ফার্মগেটসহ রাজধানীর সেলুন অথবা পার্লার ব্যবসায়ীদের কাছে মাস্টার নামটি খুবই পরিচিত। ফার্মগেট বাবুল টাওয়ারের পাশেই ছিল মাস্টারের ম্যাসেজ পার্লার। বাবুল মারা যাওয়ার পরই এ ব্যবসার হাল ধরেন তারই ছোট ভাই নূরুল ইসলাম। সেই নূরুল ইসলাম বলেন, পুলিশ, চাঁদাবাজ, মাস্তানদের পেমেন্ট দিয়েই এ ব্যবসা চালিয়ে আসছি। ফার্মগেট ছাড়া মহাখালী ও গুলশানে রয়েছে আরও দুটি ম্যাসেজ পার্লার। একটির নাম হচ্ছে লাইফ স্টাইল হেলথ ক্লাব অ্যান্ড স্পা সেলুন।

রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে লাইফ স্টাইল ছাড়াও আরও ২টি পার্লারে আকস্মিক অভিযান চালায় পুলিশ।

সূত্র জানায়, রাতে গুলশানের তিনটি স্পা সেন্টারে অভিযান চালিয়ে ১৬ নারী ও ৩ জন পুরুষসহ ১৯ জনকে আটক করা হয়েছে। স্পা সেন্টারগুলো হলো- লাইভ স্টাইল হেল্থ ক্লাব অ্যান্ড স্পা অ্যান্ড সেুলন, ম্যাঙ্গো স্পা ও রেডিডেন্স সেলুন-২ অ্যান্ড স্পা।

রাতে গুলশানের নাভানা টাওয়ারের ১৮, ১৯ ও ২০ তলায় অবস্থিত এ তিনটি স্পা সেন্টারে অভিযান চালায় গুলশান থানা পুলিশ।

গুলশানের ডিসি সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন, এই স্পা সেন্টারগুলোতে অসামাজিক কার্যকলাপ হচ্ছিল এমন তথ্যের ভিত্তিতে আমরা রাতে তিনটি ফ্লোরে অভিযান চালাই। অভিযানে ১৬ জন নারী ও ৩ জন পুরুষসহ মোট ১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি আমরা যাচাই করে দেখি এসব ব্যবসার সাথে কারা কারা জড়িত। এখানকার মালিকপক্ষ কারা, কারা এটি পরিচালনা করতো। সার্বিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি এখানে আগত গ্রাহকদের সঙ্গে স্প্যার আড়ালে অনৈতিক কার্যকলাপে লিপ্ত হতেন আটক এই ১৬ নারী। আর আটক তিনজন পুরুষ গ্রাহক।

সুদীপ কুমার বলেন, আটকদের এখন থানায় পাঠানো হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং এই স্প্যাগুলোর মালিক কে তাও জানা হবে। অভিযানে প্রাপ্ত সব তথ্য আমরা যাচাই-বাছাই করছি। এ বিষয়ে মামলা করা হয়েছে।

সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আদালতে পাঠিয়ে নারীদের মিরপুরের মহিলা সংশোধন কেন্দ্রে পাঠিয়ে দিতে পারেন আদালত।

এইচএম/এসএমএম

আরও পড়ুন