• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৯, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
প্রকাশিত: নভেম্বর ৪, ২০১৯, ০১:৫০ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : নভেম্বর ৪, ২০১৯, ০৩:০১ পিএম

ধানমণ্ডিতে জোড়া খুন

হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয় গৃহকর্মী সুরভীসহ বেশ কয়েকজন

জাগরণ প্রতিবেদক
হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয় গৃহকর্মী সুরভীসহ বেশ কয়েকজন
পুলিশের হাতে আটক গৃহকর্মী সুরভী (লাল বৃত্তে) - ছবি : সংগৃহীত

শিল্পপতি কাজী মনির উদ্দিন তারিমে ফ্ল্যাটে তার শাশুড়ি আফরোজা বেগম ও গৃহকর্মী দিতির হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয় ভাড়াটে খুনি। হত্যাকাণ্ড শেষ করে তারা স্বর্ণালঙ্কার ও টাকা লুট করে চম্পট দেয়। বাড়ির কেয়ারটেকারের চোখ ফাঁকি দিয়ে খুনিরা পৃথকভাবে ওই ভবনের ফ্ল্যাটে ঢুকে পড়ে। খুনের ঘটনাটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত।

সন্দেহভাজন গৃহকর্মী সুরভীকে গ্রেফতার করে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এমনটাই জেনেছেন ধানমণ্ডির থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল লতিফ।

তিনি বলেন, গৃহকর্মী সুরভী ছাড়াও হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয় বেশ কয়েকজন। তারা ফ্ল্যাটটিতে প্রবেশ করার আগে ভবনের নিচে জড়ো হয়। পুলিশের ধারণা, প্রথমে হত্যা করা হয় গৃহকর্মী দিতিকে পরে গৃহকর্ত্রী আফরোজা বেগমকে। নিহত দু’জনেরই পেছন থেকে ছুরি দিয়ে একটানে গলা কেটে ফেলা হয়। তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে।হত্যাকাণ্ডের পর খুনিরা একসঙ্গে ভবন থেকে বেরিয়ে যায়। নতুন গৃহকর্মী সুরভী একাই ভবন থেকে বেরিয়ে যায়।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, জোড়া খুনের সাথে নিহত আফরোজা বেগমের পরিচিত কেউ যুক্ত থাকতে পারেন। এমনও হতে পারে তারই পরিকল্পনায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। 

রোববার (৩ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকা থেকে সুরভী নামের পলাতক গৃহকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ঘাতকদের শনাক্তে গৃহকর্মীসহ সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং সুরভীর রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছিল।

জোড়া খুনের ময়না তদন্ত করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ড. সোহেল মাহমুদ। তিনি বলেন, আফরোজা বেগমের গলাকাটা ছাড়াও পেটে, বুকে একাধিক ছুরিকাঘাত করা হয়। এর মধ্যে একটি আঘাত তার কিডনি ভেদ করে। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মারা যান তিনি। অন্যদিকে গৃহকর্মী দিতির গলাকাটা ছাড়াও শরীরের এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করা হয়। গলাকাটায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু ঘটে। 

শুক্রবার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় শিল্পপতি কাজী মনির উদ্দিন তারিমের ধানমণ্ডির ২৮ নম্বর সড়কের ২১ নম্বর বাড়ির পঞ্চম তলায় খুন হন গৃহকর্ত্রী আফরোজা ও তার গৃহকর্মী দিতি।

এইচএম/এসএমএম

আরও পড়ুন