• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৯, ১ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬
প্রকাশিত: নভেম্বর ৬, ২০১৯, ০৯:১৩ এএম
সর্বশেষ আপডেট : নভেম্বর ৬, ২০১৯, ০৯:১৬ এএম

শিশু সায়মা হত্যা

হারুনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল

জাগরণ প্রতিবেদক
হারুনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল
শিশু সায়মা ও অভিযুক্ত হারুন অর রশিদ-ফাইল ছবি

পুরান ঢাকার ওয়ারীতে সিলভারডেল স্কুলের নার্সারির ছাত্রী সামিয়া আফরিন সায়মা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় হারুন আর রশিদকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দায়ের করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) ওয়ারী জোনাল টিম (নিরস্ত্র) মো. আরজুন।

২০ নভেম্বর (বুধবার) মামলাটির তারিখ ধার্য রয়েছে। 

মামলার একমাত্র আসামি হারুন আর রশিদকে গত ৭ জুলাই তার বাড়ি কুমিল্লার তিতাস থানার ডাবরডাঙ্গা এলাকা থেকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। পরের দিন হাকিম সরাফুজ্জামান আনসারীর আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয় হারুন। সে এখন কারাবাস করছে। 

৫ জুলাই (শুক্রবার) সন্ধ্যার পর থেকে শিশু সায়মার খোঁজ পাচ্ছিল না তার পরিবার। আনুমানিক সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নবনির্মিত একটি ভবনের নবম তলার খালি ফ্ল্যাটের ভেতর সায়মাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। খবর পেয়ে রাত ৮টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনার পরের দিন সায়মার বাবা আবদুস সালাম বাদী হয়ে ওয়ারী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন।

পারিবারিক সূত্র বলেছে, ওই ভবনের ছয়তলায় পরিবারের সঙ্গে থাকত সায়মা। বাবা আবদুস সালাম নবাবপুরের একজন ব্যবসায়ী। দুই ছেলে ও দুই মেয়ের মধ্যে সবার ছোট সায়মা।

আবদুস সালাম বলেন, ‘‘ঘটনার দিন সন্ধ্যার পর ফ্ল্যাট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সায়মা তার মাকে বলে, আমি ওপরে পাশের ফ্ল্যাটে যাচ্ছি, একটু খেলাধুলা করতে। এরপর থেকে নিখোঁজ হয় সায়মা। অনেক খোঁজাখুঁজির পর নবম তলায় খালি ফ্ল্যাটের ভেতর গলায় রশি দিয়ে বাঁধা ও মুখে রক্তাক্ত অবস্থায় মেয়েকে দেখতে পাই। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠায়।’’ 

এইচএম/এসএমএম

আরও পড়ুন