• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২০ জুন, ২০১৯, ৬ আষাঢ় ১৪২৬
Bongosoft Ltd.
প্রকাশিত: জুন ১০, ২০১৯, ০৮:৩৫ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জুন ১০, ২০১৯, ০৮:৩৫ পিএম

১১ মাসে রপ্তানি আয় বেড়েছে প্রায় ১২ শতাংশ

জাগরণ প্রতিবেদক
১১ মাসে রপ্তানি আয় বেড়েছে প্রায় ১২ শতাংশ

চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩ হাজার ৭৭৫ কোটি ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১১ দশমিক ৯২ শতাংশ বেশি। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে সব ধরনের পণ্য রপ্তানিতে বৈদেশিক মুদ্রার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৩ হাজার ৯০০ কোটি মার্কিন ডলার। সেই হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ হাজার ৫৪০ কোটি ডলার। এ সময়ে আয় হয়েছে ৩ হাজার ৭৭৫ কোটি ৬ লাখ মার্কিন ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ বেশি। একইসঙ্গে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় রপ্তানিতে এ বছর প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে ১১ দশমিক ৯২ শতাংশ। গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের ১১ মাসে রপ্তানি আয় ছিল ৩ হাজার ৩৭২ কোটি ৮৮ লাখ ডলার।

সূত্র আরো জানায়, একক মাস হিসেবে চলতি বছরের মে মাসে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৮১ কোটি ৩৩ লাখ ডলার, যার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৪৯ কোটি ডলার। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় মে মাসে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৯ দশমিক ২৩ শতাংশ। গত বছরের মে মাসে এ আয় হয়েছে ৩৩২ কোটি ডলার। এ হিসাবে প্রবৃদ্ধি ১৪ দশমিক ৭৮ শতাংশ। আর চলতি অর্থবছরের ১১ মাসে মোট রপ্তানি আয়ে পোশাকের অবদান ৮৪ শতাংশের বেশি। তবে হোমটেক্স, টেরিটাওয়েলসহ এ খাতের অন্যান্য রপ্তানির উপখাত হিসাব করলে তৈরি পোশাক খাতের অবদান ৮৯ শতাংশেরও বেশি হবে।

তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি আয় এসেছে ৩ হাজার ১৭৩ কোটি ৩৮ লাখ ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৬ দশমিক ৯৫ শতাংশ বেশি। একইসঙ্গে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় রপ্তানিতে এ বছর প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে ১২ দশমিক ৮২ শতাংশ। গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে পোশাক খাতে রপ্তানি আয় ছিল ২ হাজার ৮১২ কোটি ডলার।

রপ্তানিকারকরা বলছেন, রপ্তানি আয়ে সুখবর নিয়েই অর্থবছর শুরু হয়েছিল, যা এখন পর্যন্ত অব্যাহত আছে। এর মূল কারণ হচ্ছে দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি। এছাড়া রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে অন্যান্য খাতেরও আয় ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। ফলে রপ্তানিতে বড় প্রবৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে। বছরের পরবর্তী মাসগুলোয় এ ধারা অব্যাহত থাকবে। আর ইতিবাচক এ ধারা অব্যাহত থাকলে অর্থবছর শেষে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে প্রত্যাশা রপ্তানিকারকদের।

ইপিবি সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরের ১১ মাসে বড় খাতগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে ৪০ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয় কৃষিপণ্য রপ্তানিতে। এ খাত থেকে আয় এসেছে ৮৫ কোটি ৪৫ লাখ ডলার। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রপ্তানি আয় বেড়েছে ৩২ দশমিক ৪ শতাংশ। প্লাস্টিক পণ্যে প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ২৫ দশমিক ২৭ শতাংশ। এ খাতে আয় হয়েছে ১১ কোটি ২৭ লাখ ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৪ দশমিক ২৬ শতাংশ বেশি।

তবে খাত হিসেবে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি কমেছে। অর্জন হয়নি লক্ষ্যমাত্রাও। পাট ও পাটজাত খাত থেকে মে মাস শেষে রপ্তানি আয় এসেছে ৭৭ কোটি ৩৫ লাখ ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২১ দশমিক ৪৫ শতাংশ কম।

এআই/ এফসি

Space for Advertisement