• ঢাকা
  • সোমবার, ০৩ আগস্ট, ২০২০, ১৯ শ্রাবণ ১৪২৭
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৫, ২০১৯, ০৮:৩৮ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ডিসেম্বর ৫, ২০১৯, ০৮:৩৮ পিএম

ভারতে ডাবল সেঞ্চুরির পথে পেঁয়াজ

দীপঙ্কর দাশগুপ্ত, কলকাতা থেকে
ভারতে ডাবল সেঞ্চুরির পথে পেঁয়াজ

সেঞ্চুরি হয়েছিল অনেক আগেই। এবার ভারতে ডাবল সেঞ্চুরির পথে পেঁয়াজ।

বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) কলকাতার পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে কেজিপ্রতি  ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা করে। চেন্নাইয়ে ১৮০ ছুঁয়ে ফেলেছে।

বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা থেকে বাড়তে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক বাজারে পেঁয়াজের দাম।

বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) কলকাতার বেশিরভাগ বাজারে ১৬০ টাকা দরে বিকিয়েছে পেঁয়াজ। বিশেষ করে গড়িয়াহাট, লেক মার্কেট, যোধপুর পার্ক বাজারে কয়েকজন বিক্রেতা এই দামেই পেঁয়াজ বিক্রি করেছেন। যদিও গত এক সপ্তাহ ধরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে বাজারে বাজারে টহল দিয়ে বেড়াচ্ছে বিশেষ টাস্ক ফোর্স। গত দু’দিন বেশ কয়েকটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে ১০০ টাকায় পেঁয়াজ বিক্রি হলেও, বৃহস্পতিবার থেকে সে বিপনিগুলোতেও পেঁয়াজের দাম ১৬০টাকা।

খোলা বাজারে পেঁয়াজ অগ্নিমূল্য। দাম উঠেছে কেজি প্রতি ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা। পাইকারি বাজারে পেঁয়াজ কার্যত উধাও। যেখানে পোস্তা পাইকারি বাজারে নাসিকসহ দক্ষিণের রাজ্যগুলো থেকে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ গাড়ি পেঁয়াজ আসে, মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সেখানে এসেছে মাত্র ৬ ট্রাক। আবার শিয়ালদহ বাজারে এসেছে মাত্র ১ ট্রাক। কম আমদানির জেরে খোলা বাজারে দামও উঠছে লাফিয়ে লাফিয়ে।

পাইকারি বাজারে ৪০ কেজির পেঁয়াজের বস্তার দাম উঠেছে ৪০০০ থেকে ৪৫০০ টাকা। অর্থাৎ ১০০ থেকে ১১৩ টাকা কেজি দরে কিলো। তাও পাওয়া যাচ্ছে না। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নিজস্ব ‘সুফল বাংলা’ দোকানে সস্তার পেঁয়াজ নিজেরাই কিনছে ১০২ টাকা কেজি ধরে। তবে তা বিক্রি করা হচ্ছে ৫৯ টাকায়।

পেঁয়াজ মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়শন ও ট্রেডার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন এই সঙ্কেটর ব্যাখ্যা দিতে পারেনি। দুই সংগঠনের তরফে বলা হয়েছে, কেন এই সংকট, তা খুব একটা পরিষ্কার নয়। নাসিক বা দক্ষিণ ভারত থেকে বাংলায় পেঁয়াজ আসছেই না। শুক্রবার থেকে এই সঙ্কট আরও বেড়েছে। যদিও তার কিছুদিন আগেই নাসিকের নতুন পেঁয়াজ বাজারে এসেছিল। তাই দাম কমবে বলেই মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু এখন যেই কে সেই। পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় সরকার বিদেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করার কথা বললেও এখনও তা কার্যকর হয়নি।

ডিজিজি/এসএমএম

আরও পড়ুন