• ঢাকা
  • শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২০, ২৭ আষাঢ় ১৪২৭
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২০, ০৬:৩৫ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২০, ০৬:৩৫ পিএম

একনেকে ২ হাজার ৪২২ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন

জাগরণ প্রতিবেদক
একনেকে ২ হাজার ৪২২ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেক বৈঠক - ছবি : জাগরণ

ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফেন্ডশিপ পাইপলাইন প্রকল্পের প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধাদি উন্নয়ন প্রকল্পসহ মোট ৯ প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ২ হাজার ৪২২ কোটি ২৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ২ হাজার ১০৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকা এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে পাওয়া যাবে ৩১৩ কোটি ৮২ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক বৈঠকে এসব প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠকশেষে পরিকল্পনা সচিব নুরুল আমিন প্রকল্পের বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

তিনি বলেন, ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফেন্ডশিপ পাইপলাইন প্রকল্পের প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধাদি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে খরচ হবে ৩০৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) পক্ষে মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড জানুয়ারি ২০২০ হতে জুন ২০২২ মেয়াদে বাস্তবায়ন করবে।

তিনি জানান, প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য হলো- ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের শিলিগুড়িস্থ মার্কেটিং টার্মিনাল হতে পার্বতীপুর ডিপো পর্যন্ত ১৩০ কিলোমিটার (ভারতের অংশ ৫ কিলোমিটার ও বাংলাদেশ অংশ ১২৫ কিলোমিটার) দীর্ঘ ১০ ইঞ্চি ব্যাস বিশিষ্ট ভূগর্ভস্থ পেট্রোলিয়াম পাইপলাইন নির্মাণ করার জন্য বাংলাদেশ অংশের ভূমি অধিগ্রহণ, হুকুম দখল ও রিসিভিং টার্মিনাল নির্মাণ করা। প্রকল্পের আওতায় ১৮৭ দশমিক ৩৪ একর ভূমি অধিগ্রহণ এবং ১২৬ দশমিক ১৪ একর ভূমি হুকুম দখল করা হবে।

পরিকল্পনা সচিব বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে দেশের উত্তারাঞ্চলে জ্বালানি তেল পরিবহন সহজতর, নির্বিঘ্ন, সময় ও ব্যয় সাশ্রয়ী, কম ঝুঁকিপূর্ণ এবং পরিবেশবান্ধব হবে। এর ফলে সাশ্রয়ী মূল্যে ও স্বল্প সময়ে জ্বালানি তেল পরিবহনের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন হবে।

পরিকল্পনা সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, নদী ড্রেজিংয়ের ক্ষেত্রে ভালোভাবে কাজ করতে হবে।

একনেকে অনুমোদিত অন্য প্রকল্পসমূহ হলো- মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০ শয্যা ও জেলা সদর হাসপাতালে ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস স্টোর স্থাপন প্রকল্প, এর বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ২৫৫ কোটি ২২ লাখ টাকা। বানেশ্বর-সারদা-চারঘাট-বাঘা-লালপুর-ঈশ্বরদী জেলা মহাসড়ককে আঞ্চলিক মহাসড়কমানে উন্নীতকরণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৫৫৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা। সৈয়দপুর-নীলফামারী মহাসড়ক প্রশস্তকরণ ও মজবুতকরণ প্রকল্প, এতে ব্যয় হবে ২১৭ কোটি টাকা। হবিগঞ্জ জেলার বিবিয়ানা বিদ্যুৎ কেন্দ্রসমূহের সামনে কুশিয়ারা নদীর উভয় তীরের প্রতিরক্ষা প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৫৭৩ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। তেজগাঁওয়ে বিসিকের বহুতল ভবন নির্মাণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৩০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

এছাড়া, বিসিক প্লাস্টিক শিল্পনগরী প্রকল্প, এতে ব্যয় হবে ২৬৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। বিসিকের ৮টি শিল্পনগরী মেরামত ও পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৭৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১৪৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা। সূত্র : বাসস

এফসি