• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর, ২০২০, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
প্রকাশিত: জুলাই ২৬, ২০২০, ১১:৫৩ এএম
সর্বশেষ আপডেট : জুলাই ২৬, ২০২০, ১১:৫৩ এএম

১৬ দিনেই রেমিট্যান্স এসেছে ১৩৬ কোটি ডলার

অর্থনীতি ডেস্ক
১৬ দিনেই রেমিট্যান্স এসেছে ১৩৬ কোটি ডলার

কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। করোনা সঙ্কটের মধ্যেও জুলাই মাসের প্রথম ১৬ দিনে ১৩৬ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সামনে ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। তাই বেশি পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন প্রবাসীরা। রেমিট্যান্স প্রবাহের এ ধারা অব্যাহত থাকলে জুলাই মাস শেষে রেকর্ড পরিমাণ প্রবাসী আয় আসতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, চলতি মাসের প্রথম ১৬ দিনে ১৩৬ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকা (প্রতি ডলারের বিনিময় হার ৮৫ টাকা ধরে)।

এ ধারা অব্যাহত থাকলে একক মাস হিসেবে চলতি মাসে রেমিট্যান্স আহরণ ২০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। যা হতে পারে একক মাসে রেকর্ড পরিমাণ প্রবাসী আয়।

এর আগে চলতি বছরের জুনে একক মাস হিসেবে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণ করে বাংলাদেশ। ওই সময় রেমিট্যান্স এসেছে ১৮৩ কোটি ২৫ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪৬ কোটি ৮৩ লাখ ডলার বেশি।

এর আগে একক মাসে সর্বোচ্চ ১৭৪ কোটি ৮১ লাখ ডলার রেমিট্যান্সের রেকর্ড ছিল ২০১৯ সালের মে মাসে।

গত ২০১৯-২০ অর্থবছর শেষে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ১ হাজার ৮২০ কোটি ডলার বা ১৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণ।

এর আগে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স আহরণে রেকর্ড হয়। ওই সময়ে প্রবাসীরা ১ হাজার ৬৪২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন।

এই হিসেবে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের তুলনায় সদ্য সমাপ্ত ২০১৯-২০ অর্থবছরে রেমিট্যান্স আহরণ বেড়েছে ১৭৮ কোটি ৫৩ লাখ ডলার বা ১৫ হাজার কোটি টাকা।

চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ঘোষণা দিয়েছিলেন, গত অর্থবছরের মতো চলতি অর্থবছরেও বৈধপথে রেমিট্যান্স বাড়াতে এ খাতে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেয়া হবে। এ কারণে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে।

ওই সময় অর্থমন্ত্রী আরও বলেছিলেন, প্রবাসীদের কল্যাণ ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকরণ, নতুন নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

কেএপি

আরও পড়ুন