• ঢাকা
  • বুধবার, ২৫ মে, ২০২২, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯
প্রকাশিত: মে ১, ২০২২, ১১:৩২ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : মে ১, ২০২২, ০৫:৩২ পিএম

ফের উধাও বোতলজাত সয়াবিন

ফের উধাও বোতলজাত সয়াবিন
ফাইল ফটো

কয়েক মাস ধরেই ভোজ্যতেলের বাজার টালমাটাল। ঈদের আগে রাজধানীর বাজারে হঠাৎ বোতলজাত সয়াবিন তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। যাও পাওয়া যাচ্ছে কিনতে হচ্ছে নির্ধারিত দামের চেয়ে লিটারে ২০ টাকা বেশি দরে। সরবরাহ কমিয়ে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছে।

খুচরা বাজারে রোববার (১ মে) প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল ২০০ টাকায় বিক্রি হলেও বোতলজাত সয়াবিন এক প্রকার উধাও হয়ে গেছে। অনেকেই না পেয়ে বাড়তি দরে খোলা তেল নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যটি কিনতে ক্রেতাদের আবারও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

তেলের সাথে অন্য পণ্যও কিনতে হচ্ছে। বিক্রেতাদের দাবি, ডিলারদের মিল থেকে তেল দিচ্ছে না, তাই বাজারে সরবরাহ নেই বললেই চলে। বিশ্ববাজারে দাম বাড়ার অজুহাতে মজুদ থাকা তেলেও বেশি লাভের প্রবনতা মিলারদের। যে কারণে বাজারে সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। ভোক্তা অধিকারের অভিযানে তার প্রমাণও মেলে।

একই অবস্থা রাজধানীর কারওয়ান বাজারেও। বেশিরভাগ দোকানে সয়াবিন তেল নেই। দুয়েকটি কোম্পানির ছোট বোতল পাওয়া গেলেও দাম নিয়ে অসন্তুষ্ট ক্রেতারা।

কারওয়ান বাজারের মুদি দোকানি কুদ্দুস মিয়া বলেন, হাতেগোনা কয়েকটি কোম্পানি তেল সরবরাহ করে। তারা আবারও দাম বাড়ানোর জন্য সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। ১৫ কার্টন অর্ডার করলে ১-২ কার্টন তেল সরবরাহ করছে। পাঁচ লিটার ও দুই লিটার তেল দিচ্ছে না।

জনগণকে কিছুটা স্বস্তি দিতে ভোজ্যতেলের ভ্যাট প্রত্যাহার করে নেয় সরকার। দামও লিটারপ্রতি ৮ টাকা কমে। দুই-তিন সপ্তাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও কয়েকদিন ধরে আবারও সেই পুরানো রোগ। বাজারের বেশিরভাগ দোকানে মিলছে না সয়াবিন তেল। মোহাম্মদপুর টাউনহল বাজারে ৫ লিটারের কোনও বোতল নেই।

তেল কিনতে আসা ক্রেতা হাসেম মিয়া বলেন, ‘হঠাৎ বাজারে সয়াবিন তেল নেই। এর আগে, ১৮০ টাকা করে নিয়েছিলাম। আজ ২০০ টাকা করে কিনলাম।’

বাড়তি লাভের আশায় কোনও কোনও দোকানে সয়াবিন তেলের বোতলগুলো লুকিয়ে রাখার চেষ্টাও করা হচ্ছে। শুধু তেল কিনতে আসা ক্রেতাদের কাছে তা বিক্রি করা হবে না বলে জানান দোকানীরা।

বাজারে রাইস ব্রান ও সানফ্লাওয়ার অয়েলের মোটামুটি সরবরাহ থাকলেও ৫ লিটারের বোতলে দাম বেড়েছে ১ থেকে দেড়শ টাকা পর্যন্ত।

জাগরণ/অর্থনীতি/এমএ