• ঢাকা
  • শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৪ আশ্বিন ১৪২৭
প্রকাশিত: আগস্ট ৬, ২০২০, ১০:১৭ এএম
সর্বশেষ আপডেট : আগস্ট ৬, ২০২০, ১০:১৭ এএম

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যে প্রক্রিয়ায় খোলা হবে!

জাগরণ ডেস্ক
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যে প্রক্রিয়ায় খোলা হবে!

মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ৩‌১ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী ৬ আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ছিল। বর্তমানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের একটাই প্রশ্ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি কি আরও বাড়বে, নাকি খুলে দেওয়া হবে সেপ্টেম্বরে।


সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষতি পোষাতে দুই ধরনের পরিকল্পনা আছে সরকারের। এরমধ্যে সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠানগুলো খোলা সম্ভব হলে চলতি বছরই সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করে শিক্ষাবর্ষ শেষ করা হবে। তা না হলে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি-মার্চ পর্যন্ত শিক্ষাবর্ষ বাড়ানো হবে। তবে করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে পর্যায়ক্রমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তা শুরু করা গেলে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া হবে বলে। এরপর পর্যায়ক্রমে উচ্চ মাধ্যমিক, মাধ্যমিক খুলে দেওয়া হবে। আর সবার শেষে খুলবে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

এদিকে দীর্ঘ দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার ফলে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় যেন ব্যাঘাত না ঘটে সে জন্য টেলিভিশনে পাঠদান, অনলাইনে ক্লাস কার্যক্রম শুরু হয়। তারই ধারাবাহিকতায় এবার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির বিষয়ভিত্তিক শ্রেণি কার্যক্রম (ক্লাস) বাংলাদেশ বেতারসহ কমিউনিটি রেডিওতে সম্প্রচার শুরু হবে।

জানা যায়, চলতি সপ্তাহেই এই কার্যক্রম শুরু হবে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীসহ সব শিক্ষার্থীর লেখাপড়া নিশ্চিত করতে এ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ্ বলেন, ‘রেকর্ডিং শুরু হয়েছে। চলতি সপ্তাহে একটা দিন নির্ধারণ করে সবাইকে জানিয়ে দেওয়া হবে।’

প্রসঙ্গত, করোনা ভাইরাসের কারণে গত ১৮ মার্চ থেকে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। করোনার কারণে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশে দেরি হয়। আটকে ছিল একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিও। তবে আগামী ৯ আগস্ট থেকে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। তবে গত ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও তা এখনো আটকে আছে। কবে হবে জানা নেই কারোর। এতে চরম অনিশ্চয়তায় রয়েছেন ১২ লাখের বেশি শিক্ষার্থী।


এম