• ঢাকা
  • বুধবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২০, ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
প্রকাশিত: নভেম্বর ১৮, ২০২০, ০২:০০ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : নভেম্বর ১৮, ২০২০, ০২:০০ পিএম

মালয়েশিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফের ভিপি হওয়ার লড়াইয়ে বশির

কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা 
মালয়েশিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফের ভিপি হওয়ার লড়াইয়ে বশির

মালয়েশিয়ার অন্যতম বৃহৎ বিশ্ববিদ্যালয় মাসা ইউনিভার্সিটির ‘স্টুডেন্ট রিপ্রেজেন্টিটিভ কাউন্সিল’ (এসআরসি) নির্বাচনে এবারো ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) পদে নির্বাচন করছেন বাংলাদেশের শিক্ষার্থী বশির ইবনে জাফর। দ্বিতীয়বার ভিপি নির্বাচিত হওয়ার প্রত্যয় নিয়ে ২০২১ সেশনের জন্য তিনি নির্বাচনের প্রচারণা শুরু করেছেন। 

বশিরের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের শোলাকিয়া গাছবাজার এলাকায়। বশির ইবনে জাফর মালয়েশিয়ার মাসা ইউনিভার্সিটিতে ইনফরমেশন টেকনোলজির মোবাইল কম্পিউটিং স্পেশালিজম বিভাগে অধ্যয়নরত। কওমি মাদরাসা ও কলেজে পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি কোরআনের   হাফেজ। রাজধানীর দনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাসের পর ২০১৮ সালে স্কলারশিপ নিয়ে তিনি মালয়েশিয়ায় পড়াশোনা করতে যান। 
মালয়েশিয়ার প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ডাকসুর মতো স্টুডেন্ট রিপ্রেজেন্টিটিভ কাউন্সিল (এসআরসি) নির্বাচনের আয়োজন করা হয়। স্থানীয় শিক্ষার্থীদের জন্য প্রেসিডেন্ট পদটি সংরক্ষিত রেখে বাকি আরো আটটি পদ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই এসআরসি নির্বাচনের আয়োজন করে। গত বছরের ৫ ডিসেম্বর ২০২০ সেশনের জন্য অনুষ্ঠিত মাসা ইউনিভার্সিটির ‘স্টুডেন্ট রিপ্রেজেন্টিটিভ কাউন্সিল’ (এসআরসি) নির্বাচনে আট প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) পদে বিজয়ী হন বশির ইবনে জাফর। 

করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও বর্তমান মেয়াদে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অগ্রগতিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন।দ্বিতীয় মেয়াদেও তিনি নির্বাচিত হয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য ভাল কিছু করতে চান। এজন্যে তিনি পুনরায় ভিপি পদে প্রার্থী হয়েছেন। আগামী ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হবে। ভিপি পদে বশির ইবনে জাফর ছাড়াও একাধিক বিদেশী ও স্থানীয় শিক্ষার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এ ব্যাপারে বশির ইবনে জাফর বলেন, ‘গতবারের মতো এবারও আমার বিশেষ দৃষ্টি থাকছে আমার নিজের দেশের শিক্ষার্থীদের প্রতি। তাদের সাপোর্ট সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ ছিলো। গত বছর তাদের ভোট আমার জয়ী হওয়ার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলো। এ বছর এটি আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কেননা গতবারের তুলনায় এ বছর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বেশি। আর তাদের প্রতি আমার আবেদন থাকবে আমাকে আবারো তাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা উপহার দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

জাগরণ/এমআর