• ঢাকা
  • রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১৬ ফাল্গুন ১৪২৭
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২১, ০৩:০৯ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২১, ০৩:০৩ পিএম

জাবির ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার

জাবির ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ৪৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মিখা পিরেগুকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করেছে সিন্ডিকেট।

মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশ গণমাধ্যমের হাতে আসে।

অফিস আদেশে বলা হয়, “জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রছাত্রীদের জন্য শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ-২০১৮ এর ৩ (২) (ক) ধারা অনুযায়ী ১৮ নভেম্বর ২০২০ তারিখ হতে মিখা পিরেগুকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হলো।”

অফিস আদেশে আরো বলা হয়, “বিশেষ পরীক্ষার অনুমতির জন্য আবেদনপত্রে বিভাগীয় সভাপতির স্বাক্ষর ও সীলমোহর জালিয়াতির অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটি এবং কমিটির সুপারিশের প্রেক্ষিতে তাকে বহিষ্কার করা হয়।”

বহিষ্কারের বিষয়ে জানতে চাইলে মিখা পিরেগু বলেন, “২০১৭ সালে আমি একটি বিশেষ পরীক্ষার জন্য বিভাগীয় সভাপতির সিল ও স্বাক্ষর সহ আবেদন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের অফিসে জমা দিয়েছিলাম। বিভাগ থেকে মিটিং করেই এটা অনুমোদন করেছিল। কিন্তু উপাচার্য অফিস থেকে কোনো কারণ ছাড়াই এটি পারমিট না করায় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক থেকে আমাকে আবার আবেদন করতে বলা হয়। শীতকালীন ছুটির কারণে ক্যাম্পাস ছুটি ছিলো বলে আমি প্রথমবার জমা দেয়া মূল কপিটার ফটোকপি জমা দিয়েছিলাম।”

তিনি আরও বলেন, “সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত রিভিউয়ের জন্য আমি করেছি। রিভিউ প্রক্রিয়াটি চলমান আছে।”

মার্কেটিং বিভাগের বর্তমান সভাপতি মো. কাশেদুল ওহাব তুহিন গণমাধ্যমকে বলেন, “আমি ওই সময় বিভাগের সভাপতি ছিলাম না তবে যতটুকু শুনেছি বিভাগ থেকে তার আবেদনপত্রটি ফরোয়ার্ড করা হলেও উপাচার্যের ফাইনাল অ্যাপ্রুভালের সময় এটি রিজেক্ট হয়ে যায়।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক দীপক শীল বলেন, “ছাত্র ইউনিয়ন কখনোই কোনো অনৈতিকতাকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয় না। তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠা লজ্জার। আমরা অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে কেন্দ্রীয় সভায় আলোচনা করব। যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয় তবে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনে সর্বোচ্চ সাংগঠনিক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।”