• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৯ ফাল্গুন ১৪২৬

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা

মুজিববর্ষ
প্রকাশিত: জানুয়ারি ২২, ২০২০, ১০:২৬ এএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ২২, ২০২০, ১০:৪৪ এএম

ইসিতে আজ বৈঠক

৫ দিন ভোটকেন্দ্র পাহারা, থাকবে বিজিবি-র‌্যাব

হালিম মোহাম্মদ
৫ দিন ভোটকেন্দ্র পাহারা, থাকবে বিজিবি-র‌্যাব

আসন্ন ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নির্বিঘ্নে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে ভোটের আগে ও পরের ৫ দিন ভোট কেন্দ্র পাহারায় থাকবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। এর মধ্যে সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৬ জন করে এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভোট কেন্দ্রে ১৮ জন করে আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। 

বুধবার (২২ জানুয়ারি) বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠেয় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে বৈঠকে এ ধরনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে ইসি। শুধু তাই নয়, সিটি ভোটের আগে-পরে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এমন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এই পরিকল্পনার ওপর আলোচনার করে ইসি নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে বলে ইসি সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। 

বৈঠকে জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, পুলিশ, আনাসার, র‌্যাব ও বিজিবির মহাপরিচালক, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রধান এবং দুই সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা। 

বৈঠকে নির্বাচনপূর্ব আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টিতে করণীয় স্থির করা, চিহ্নিত অপরাধী ও নির্বাচনে বিঘ্ন সৃষ্টকারী সম্ভাব্য দুস্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ ও অবৈধ অনুপ্রবেশকারী রোধ এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। এ ছাড়াও নির্বাচনি সামগ্রী পরিবহন ও সংরক্ষণে নিরাপত্তা বিধান, নির্বাচনি আইন এবং আচরণ বিধিসহ বিভিন্ন নির্দেশনা সুষ্ঠুভাবে পালনের পরিবেশ সুগম করা, নির্বাচনি এলাকায় ও ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা বিষয়ক কর্ম পরিকল্পনা গ্রহণের বিষয়ও চূড়ান্ত হচ্ছে। 

বৈঠকের আলোচনার জন্য প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, ভোটকেন্দ্রে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ১৬ জন ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৮ জন মোতায়েন করা হবে। সাধারণ কেন্দ্রে একজন এসআই অথবা এএসআইর নেতৃত্বে ৪ জন পুলিশ সদস্য, অস্ত্রসহ আনসার দুজন ও ১০ জন অঙ্গীভূত আনসার মোতায়েন করা হবে। আর ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে পুলিশের সংখ্যা দুজন বেশি থাকছে।

ভোটকেন্দ্রের বাইরের নিরাপত্তা বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটির ৫৪টি ওয়ার্ডে পুলিশ ও এপিবিএন সমন্বয়ে ৫৪টি মোবাইল ও ১৮টি স্ট্রাইকিং ফোর্স, র‌্যাবের ৫৪টি টিম ও ২৭ প্লাটুন বিজিবি। ঢাকা দক্ষিণ সিটির ৭৫টি ওয়ার্ডে পুলিশ ও এপিবিএন সমন্বয়ে ৭৫টি মোবাইল ও ২৫টি স্ট্রইকিং ফোর্স, র‌্যাবের ৭৫টি টিম ও ৩৮ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন থাকবে। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় চাহিদা অনুযায়ী এ সংখ্যা কম-বেশি হতে পারে। এক্ষেত্রে প্রতিটি সিটি কর্পোরেশনে নির্ধারিত স্থানে পুলিশ ও র‌্যাবের প্রয়োজনীয় সংখ্যক টহল দল এবং ৩-৪ প্লাটুন বিজিবি রিজার্ভ ফোর্স সংরক্ষিত রাখা হচ্ছে।

নির্বাচনি আচরণ বিধি পালন ও অপরাধের বিচার কাজের জন্য দুই সিটিতে ১২৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ৬৪ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হচ্ছে। ঢাকা উত্তরে ৫৪ জন ও ঢাকা দক্ষিণে ৭৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আগামী ৩০ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচনি মাঠে থাকবেন। 

উল্লেখ্য, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ( ডিএনসিসি) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। 

এইচ এম/ এফসি