• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২০, ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
প্রকাশিত: অক্টোবর ৮, ২০২০, ০৫:৫৯ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : অক্টোবর ৮, ২০২০, ০৫:৫৯ পিএম

নওগাঁ-৬ আসনের উপ-নির্বাচন

ব্যতিক্রমী নির্বাচনী প্রচারণায় স্বতন্ত্র প্রার্থী রুবেল

আত্রাই (নওগাঁ) সংবাদদাতা
ব্যতিক্রমী নির্বাচনী প্রচারণায় স্বতন্ত্র প্রার্থী রুবেল

আগামী ১৭অক্টোবর ইভিএমের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের উপ-নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে বড় দুই প্রধান দলের পাশাপাশি বাংলাদেশ নাশন্যাল পিপলস পার্টি মনোনিত প্রার্থী (স্বতন্ত্র) খন্দকার ইন্তেখাব আলম রুবেল কর্মী বিহীন ব্যতিক্রমী প্রচার-প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন। তিনি আম মার্কা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। 

খন্দকার ইন্তেখাব আলম রুবেল বলেন, বড় দুটি দলের মনোনিত প্রার্থীরা শত শত কর্মী নিয়ে নির্বাচনী প্রচারনার কাজ করছেন। মাইক, পোস্টার, ফেস্টুন দিয়ে চলছে তাদের প্রচারনার কাজ। কিন্তু আমার কোন কর্মী বাহিনী, পোষ্টার, মাইক কিংবা ফেস্টুন কোনটিই নেই। শুধুমাত্র ছোট পোস্টার করেছি। কারণ আমি ভোট করার জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ করিনি। আমি ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোটারদের ভোট প্রদানে উৎসাহিত করার যুদ্ধে নেমেছি। কারণ বর্তমানে ভোটের প্রতি সাধারন মানুষদের ঘৃর্ণা আর অবহেলার সৃষ্টি হয়েছে। আগে ভোটের মাঝে আনন্দ আর উৎসব ভাব ছিলো। যা দেশের বড় বড় রাজনৈতিক দলেরা নষ্ট করে দিয়েছে। বর্তমানে ভোট কেন্দ্রে না গেলেও ভোট হয়ে যায় এমন ধারনা সাধারন মানুষদের মাঝে জন্ম নিয়েছে। তাই বর্তমানে ভোট মানুষের কাছে ঝামেলা আর পাথর সমান ভারী বস্তুতে পরিণত হয়েছে।

আর এই ভ্রান্ত ধারনার গোন্ডি থেকে গ্রামাঞ্চলের মানুষদের ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট প্রদানের জন্য আগ্রহ সৃষ্টি করার কাজটিই আমি করে যাচ্ছি এই উপ-নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে। কারণ এই আসনে এবার ভোট হবে ইভিএমের মাধ্যমে। যার ভোট সে দেবে। নিজের ছাড়া অন্যের ভোট দেওয়ার কোন সুযোগ নেই। যার যার পাসওয়ার্ড তার নিজের ফিঙ্গার। তাই ভোট কেন্দ্রে বাক্স ছিনতাই, ভোটারদের কেন্দ্রে থেকে বের করে দিয়ে ব্যালটে জোর করে সিল মারা কিংবা কোন দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টির কোন সুযোগ নেই। তাই কোন প্রকারের আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই আমি দুই উপজেলার প্রতিটি গ্রামের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষদের কাছে বিশেষ করে মা-বোনদেরকে ইভিএমে ভোট দেওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে জানানো এবং ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে উৎসাহিত করার চেষ্টা করছি। এতে করে আমি জনগনের মাঝে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। সাধারন মানুষরা যদি আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়ে আসে তবেই আমি নিজেকে জয়ী মনে করবো। সাধারন মানুষদের ভোট দেওয়ার অধিকার প্রতিষ্ঠাই আমার প্রধান লক্ষ্য। 

তিনি আরো বলেন- আমি পুরো জেলায় দীর্ঘদিন যাবত মাছ চাষের আধুনিক পদ্ধতি বায়োফ্লক ও হাইড্রোফোনিক নিয়ে কাজ করছি। অনেক শিক্ষিত যুবকরা এই পদ্ধতিতে মাছ চাষ করে অনেক লাভবানও হয়েছে। যদি সাধারন মানুষরা আমাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করে তবে আমি সর্বপ্রথম এই আসনে বেকার সমস্যা দূরীকরনে কাজ করবো। চেস্টা করবো শিক্ষিত বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার। এরপর এলাকার সার্বিক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে কাজ করবো। যদি সাধারন মানুষরা ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার পরিবেশ পান তাহলে তারা আম মার্কায় ভোট দিয়ে আমাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবে ইনশাল্লাহ।