• ঢাকা
  • রবিবার, ০৭ মার্চ, ২০২১, ২৩ ফাল্গুন ১৪২৭
প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৪, ২০২১, ০১:৩৯ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জানুয়ারি ২৪, ২০২১, ০২:০৮ পিএম

সাক্ষাৎকার

বিকৃত মানসিকতার পরিবর্তন আনবে ‘ট্রল’: শতাব্দী ওয়াদুদ

বিকৃত মানসিকতার পরিবর্তন আনবে ‘ট্রল’: শতাব্দী ওয়াদুদ

সম্প্রতি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে সঞ্জয় সমদ্দার পরিচালিত ওয়েব ফিল্ম ‘ট্রল’। মুক্তির পর ফিল্মটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে আলোচনা। থ্রিলারধর্মী এই সিনেমাটিতে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের একজন ইন্সপেক্টরের চরিত্রে অভিনয় করেছেন শতাব্দী ওয়াদুদ। প্রত্যাশা অনুযায়ী সফল হওয়ায় আনন্দিত এই জনপ্রিয় অভিনেতা। জাগরণের সঙ্গে আলাপকালে জানিয়েছেন সেই অনুভূতির কথা।

জাগরণ: ওয়েব সিনেমা ‘ট্রল’ নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে। আপনার কী মনে হয় এই সিনেমার মাধ্যমে কিছুটা হলেও মানুষের মানসিকতার পরিবর্তন আসবে?

শতাব্দী ওয়াদুদ: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম খুললেই নানা রকম ট্রল চোখে পড়ে। এটা নিয়ে মানুষের ভেতর এক ধরনের ক্রাইসিস তৈরি হচ্ছে। এক লাইনের একটি মন্তব্যের জন্য সারাজীবন হয়ত সেই ব্যথা বয়ে বেড়াতে হয়। কেউ কেউ জীবনে ভুলে কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয়। এটার জন্য একটি পরিবার ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। ট্রল, সাইবার বুলিংয়ের মতো বিকৃত মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে ‘ট্রল’ ওয়েব ফিল্মটি সাহায্য করবে বলে মনে করি। এটা দেখার পর মানুষ ট্রলের ক্ষতিকর বিষয়টা অনুধাবন করতে পারছে। এরকম একটি কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি আনন্দিত। 

জাগরণ: নাটক, ওয়েব ফিল্ম কিংবা সিনেমা কি শিক্ষার জায়গা?

শতাব্দী ওয়াদুদ: প্রথমে বলব, এগুলো বিনোদনের জায়গা। তবে বিনোদনের মধ্য দিয়েও শিক্ষা দেওয়া যায়। প্রতিটি নির্মাণেই কোনো না কোনো জনপদের গল্প বলা হয়। কোনো ফিকশনে ভালো বক্তব্য দেখাতে চাইলেও প্রথমে খারাপ বিষয়গুলো দেখাতে হয়। বিষয়টি হচ্ছে, আমরা কোনটা গ্রহণ করব। অনেক সময় দেখা যায় মানুষ খারাপটা গ্রহণ করে। তবে শিক্ষার কথা যদি বলি তাহলে বলব, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নয়— সামাজিকভাবে শিক্ষা নিতে হবে। এগুলো আমরা পরিবার থেকে শিখি। 

জাগরণ: করেনাকালে কীভাবে শুটিং করছেন?

শতাব্দী ওয়াদুদ: করোনার সময়টায় আমরা সবাই স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে কম-বেশি সচেতন হয়েছি। করোনা খুব দ্রুত চলে যাবে না। অন্য সময়ে শুটিং বিরতির সময় বিছানায় শুয়ে বিশ্রাম নিতাম। এখন সেটা নিতে পারছি না। ভয় পাচ্ছি। শুটিং সেটে দূরত্ব বজায় রেখে কাজের চেষ্টা করছি। মাস্ক ব্যবহার করছি। যতটুকু সম্ভব করোনার মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুটিং করে যাচ্ছি। 

জাগরণ: করোনা পরবর্তী সময়ে ইন্ডাস্ট্রি কীভাবে ঘুরে দাঁড়াবে?

শতাব্দী ওয়াদুদ: এখন করোনা মোটামুটি সহনীয় পর্যায়ে চলে এসেছে। মানুষ এই ভাইরাসের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিচ্ছে। করোনা প্যানডামিকে শুটিং বন্ধ ছিল। এখন শুটিং হচ্ছে। নাটকের সংগঠনগুলো নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম করে দিয়েছে শুটিংয়ের ক্ষেত্রে। সেগুলো মেনে চলে নিয়মিত কাজ করতে পারলে হয়ত আবারো ইন্ডাস্ট্রি ঘুরে দাঁড়াবে।