• ঢাকা
  • শনিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২১, ২৭ চৈত্র ১৪২৭
প্রকাশিত: মার্চ ৭, ২০২১, ১২:৩০ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : মার্চ ৭, ২০২১, ১২:৩০ পিএম

মামলা থেকে শমী কায়সারের অব্যাহতি

মামলা থেকে শমী কায়সারের অব্যাহতি

শত কোটি টাকার মানহানি মামলা থেকে অভিনেত্রী শমী কায়সারকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৭ মার্চ) ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার এ মামলার দায় থেকে শমী কায়সারকে  অব্যাহতি দেন। এ দিন পিবিআইয়ের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে বিচারক।

সাংবাদিকদের ‘চোর’ বলে সম্বোধন করায় অভিনেত্রী শমী কায়সারের বিরুদ্ধে করা ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করা হয়।

গত ৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদারের আদালতে এ প্রতিবেদন দাখিল করেন পিবিআইর পরিদর্শক লুৎফর রহমান।

লুৎফর রহমান বলেন, “এ মামলায় সাক্ষী খুঁজে না পাওয়ায় তাকে(শমী কায়সার) মামলার দায় থেকে অব্যাহতির আবেদন করে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এ রায় দেন আদালত।“

২০১৯ সালের ২৪ এপ্রিল জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে ই-কমার্সভিত্তিক পর্যটনবিষয়ক সাইট ‘বিন্দু ৩৬৫’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন শমী কায়সার। অনুষ্ঠানে তার দুটি মোবাইলফোন চুরি হয়।

ওই সময় শমী কায়সার অভিযোগ করেন, উপস্থিত সাংবাদিকরা মোবাইল চুরি করেছেন। তিনি তার নিরাপত্তাকর্মীদের দিয়ে সংবাদকর্মীদের দেহ তল্লাশিও করান। এতে সংবাদকর্মীরা বিক্ষুব্ধ হন।

এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েন শমী কায়সার।

পরে সাংবাদিকদের ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজ দেখা হয়। সেখানে দেখা যায়, ওই অনুষ্ঠানে আসা লাইটিংয়ের এক কর্মী স্মার্টফোন দুটি চুরি করেন। এরপর সাংবাদিকদের কাছে ‘দুঃখ প্রকাশ’ করেন শমী কায়সার।

২০১৯ সালের ৩০ এপ্রিল ঢাকা মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নূরের আদালতে মামলা করেন স্টুডেন্টস জার্নাল বিডির সম্পাদক মিঞা মো. নুজহাতুল হাচান। বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে শাহবাগ থানার পরিদর্শককে (ওসি) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

এরপর ২৪ অক্টোবর মামলার সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে ঢাকা মহানগর হাকিম জিয়াউর রহমানের আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুবুর রহমান।

ওই বছর ২৫ নভেম্বর বাদী স্টুডেন্টস জার্নাল বিডির সম্পাদক মিঞা মো. নুজহাতুল হাচান পুলিশের দেওয়া প্রতিবেদনের ওপর নারাজি দেন। নারাজি শুনানি শেষে আদালত মামলাটি পুনরায় তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন।