• ঢাকা
  • শনিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২১, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮
প্রকাশিত: অক্টোবর ১৭, ২০২১, ১১:৪২ এএম
সর্বশেষ আপডেট : অক্টোবর ১৭, ২০২১, ০৫:৪২ এএম

লালন তিরোধান দিবস আজ

এবারও বসেনি আখড়ারবাড়িতে সাধুরহাট

এবারও বসেনি আখড়ারবাড়িতে সাধুরহাট
সংগৃহীত ছবি

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)-এর কারণে এবারও লালন স্মরণোৎসব হচ্ছে না।

উপমহাদেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী আধ্যাত্মিক মরমি সাধক, বাউল সম্রাট ফকির লালনের ১৩১তম তিরোধান দিবস আজ।

প্রতিবছর ১ কার্তিকের এই দিনটিতে যেখানে লাখ লাখ মানুষের সমাগম হতো, কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়া সেই লালন আখড়াবাড়িতে এবার নেই কোনও আনুষ্ঠানিকতা। তারপরেও প্রতিবারের মতো দিনক্ষণ ঠিক রেখে এবারও কিছু লালন ভক্তরা চলে এসেছিলেন আখড়াবাড়িতে।

আশপাশে অবস্থান নিয়ে অথবা দূর থেকেই সাঁইজীর ওফাত দিবসের রীতি পালন করছেন তারা।

লালন ১১৬ বছর বেঁচে ছিলেন। তার মৃত্যু হয়েছে ১৩১ বছর আগে। এই দীর্ঘ সময়ও বিস্মৃতির অতলে তলিয়ে যাননি তিনি। বরং তার সৃষ্টির ঔজ্জ্বল্য বেড়েছে, বেড়েছে পরিধি। ফকির লালন শাহ শতাব্দীর পর শতাব্দী জুড়ে এক ঐন্দ্রজালিক মোহময়তা বিস্তার করে চলেছেন।

ফকির লালন শাহ তার গানের বাণীর ভেতর দিয়ে একটি সুসংঘবদ্ধ জীবন বিধানের নির্দেশনা দিয়েছেন। তার গান এক গভীর দ্যোতনায় এই বিশ্ব-সংসার, মানবধর্ম, ঈশ্বর ও ইহ-লৌকিক ও পরলৌকিকতা সম্পর্কে নতুন দৃষ্টিতে দেখতে বাধ্য করে। সব মরমী সাধকেরই পরম্পরা থাকে। তবে লালনের দ্যুতি এমনই তীব্র ও রহস্যময় যে তারপরে আর কোনো মরমী সাধক নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি। দুই শতাব্দী ও চার দশক পেরিয়ে গেলেও আজও লালন মরমী জগতের সার্বভৌম ব্যক্তি।

১২৯৭ বঙ্গাব্দের ১ কার্তিক আধ্যাত্মিক এই সাধকের মৃত্যুর পর ১৩১ বছর ধরে প্রথমে ছেউড়িয়ার আখড়া কমিটি ও পরে লালন একাডেমির উদ্যোগে লালন স্মরনোৎসব হয়ে আসছে। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে গতবছর থেকে সেই রেওয়াজ ভাঙতে হয়।

জাগরণ/এমএ