• ঢাকা
  • বুধবার, ০২ ডিসেম্বর, ২০২০, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২১, ২০১৯, ০৩:৫০ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ডিসেম্বর ২১, ২০১৯, ০৩:৫০ পিএম

এ মাসের শেষে আরেকটি শৈত্যপ্রবাহ

জাগরণ প্রতিবেদক
এ মাসের শেষে আরেকটি শৈত্যপ্রবাহ

কয়েকদিন ধরে চলা শৈত্যপ্রবাহ কেটে গেলেও ঠাণ্ডার দাপট রয়ে গেছে। ফলে প্রচণ্ড শীতে কাবু হয়ে পড়েছে দেশের বিভিন্ন এলাকার জনজীবন।

বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) সকাল থেকে মেঘাচ্ছন্ন আকাশ আর ঠাণ্ডা বাতাসে হিমশিম খেতে হচ্ছে দেশটির বাসিন্দাদের।

আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, শীতের এই ভাব আরও কয়েকদিন বিরাজ করবে। 

ঢাকা বাসিন্দা সোনিয়া আকতার বলছেন, কয়েকদিন ধরে প্রচণ্ড শীত। শীতের সঙ্গে বাতাস, বাসার বাইরেই বের হতে পারছি না। কুয়াশায় চারদিক অনেকটা অন্ধকার হয়ে রয়েছে। বাসার বয়স্করা আর শিশুরা অসুস্থ পড়ছে।

আরেক বাসিন্দা আহমেদ উল্লাহ বলছেন, গতকালের চেয়ে আজ ঠাণ্ডা আরও বেশি পড়েছে। বাধ্য না হলে বাসার কেউ বাইরে বের হচ্ছে না।

রাজধানী ঢাকায় শীত তুলনামূলক কম পড়লেও এই শৈত্যপ্রবাহে কাবু হয়ে পড়েছে নগরবাসীও।

ঢাকার অনেক স্থানে পথের পাশে মানুষজনকে কাগজ-কাঠ জড়ো করে আগুন পোহাতে দেখা গেছে।

আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান বলছেন, দেশের ওপর দিয়ে একটি যে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ চলছিল, সেটা শেষ হয়ে গেছে। তবে দিনে তাপমাত্রা কম থাকায় তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। সেটা আরও কয়েকদিন থাকতে পারে।

তিনি বলছেন, উত্তর-পশ্চিম শক্তিশালী বায়ুপ্রবাহ (জেড বায়ু) বেশি সক্রিয় থাকায়, মেঘলা আকাশ এবং ঘন কুয়াশার কারণে সূর্যের আলো আসতে পারছে না। বাতাসে জলীয় বাষ্পে আর্দ্রতাও বেশি। ফলে দিনে তাপমাত্রা না বাড়ায় ঠাণ্ডা জেঁকে রয়েছে।

সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ফরিদপুরে ১০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সবোর্চ্চ তাপমাত্রা কক্সবাজারের টেকনাফে ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আগামী কয়েকদিনের পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, চলতি মাসের শেষদিক ছাড়াও জানুয়ারির প্রথমদিকে আরেকটি মৃদু বা মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে

.....‘’.....

শীতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে বয়স্ক মানুষ এবং শিশুরা। হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত বিভিন্ন রোগ নিয়ে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বাড়ছে বলে হাসপাতাল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ঘন কুয়াশার কারণে পদ্মার পাটুরিয়া ও দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। 

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) সকালে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও কুয়াশার কারণে চার ঘণ্টা বিমান চলাচল বন্ধ ছিল।

তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে হলে সেটি শৈত্যপ্রবাহ বলে ধরা হয়। ফলে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির ওপরে হওয়ায় শৈত্যপ্রবাহ কেটে গেছে বলে আবহাওয়াবিদরা বলছেন।

আগামী কয়েকদিনের পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, চলতি মাসের শেষদিক ছাড়াও জানুয়ারির প্রথমদিকে আরেকটি মৃদু বা মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

দেশের উত্তরাঞ্চলে গুড়িগুড়ি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এসএমএম

আরও পড়ুন