• ঢাকা
  • বুধবার, ০২ ডিসেম্বর, ২০২০, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৫, ২০১৯, ১১:৩৩ এএম
সর্বশেষ আপডেট : ডিসেম্বর ২৫, ২০১৯, ১২:১৫ পিএম

সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেতুঁলিয়ায় ৬.২ ডিগ্রি সে.সি.

জাগরণ প্রতিবেদক
সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেতুঁলিয়ায় ৬.২ ডিগ্রি সে.সি.
আগুনে পোহাচ্ছেন কয়েকজন ছিন্নমূল মানুষ-ছবি : সংগৃহীত

দেশ জুড়ে চলছে শীতের দাপট। কনকনে ঠান্ডায় ছন্দপতন জনজীবনে।

দেশের সবচেয়ে নিম্নে তাপমাত্রা রয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কুড়িগ্রামে রয়েছে ৭.৭, রাজশাহীতে ৮.৭ ও চুয়াডাঙ্গায় ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠানামা করছে।

ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক-মহাসড়কে হেড লাইট জ্বালিয়ে ধীর গতিতে চলছে যানবাহন। ব্যহত হচ্ছে নৌরুটের ফেরি চলাচল।

সূর্যের তেজ কম থাকায় বিপর্যস্ত জনজীবন। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া মানুষ।

বিভিন্ন হাসপাতালে বাড়ছে শীতজনিত রোগে আক্রান্তদের সংখ্যা। এ সময় বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের প্রতি বাড়তি সর্তকতা অবলম্বনের কথা বলছেন চিকিৎসকরা।

হিমালয়ের হিম বাতাসের কারণে আবারও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। বুধবার সকালে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এ ছাড়া জেলায় কুয়াশা ও হিমালয়ের হিম বাতাসের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। শীতের প্রভাবে ঘর থেকে বের হওয়া কষ্টকর হয়ে পড়েছে। বেড়েছে ঠাণ্ডাজনিত রোগ।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় বলেন, পঞ্চগড়ে জেঁকে বসেছে শীত। প্রতিদিন উত্তরের হিমেল বাতাসে ক্রমান্বয়ে কমতে শুরু করছে তাপমাত্রা। তবে দিনের তুলনায় রাতে বাড়ছে শীতের তীব্রতা।

সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সকাল থেকেই ঘন কুয়াশায় ঢাকা বেশিরভাগ জেলা। অনুভূত হচ্ছে প্রচণ্ড শীত। সড়কে যান চলাচল করছে সীমিত আকারে। নৌরুটে বিঘ্নিত হচ্ছে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল। পাটুরিয়া-দৌলতিয়া রুটে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজট। মঙ্গলবার রাত থেকে পারাপারের অপেক্ষায় আছে হাজারের ওপর গাড়ি। তীব্র শীতের মধ্যে ঘাটে আটকা পড়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন গন্তব্যমুখি মানুষ। দুর্ভোগে পড়েছেন শ্রমজীবীরাও।

ঘন কুয়াশার কারণে সবজির আবাদ নিয়েও আছে দুশ্চিন্তা। হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যাও। আবহাওয়া অফিস বলছে, দুই একদিনের মধ্যে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তখন তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।

এসএমএম

আরও পড়ুন