• ঢাকা
  • বুধবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৯, ৮ কার্তিক ১৪২৬
প্রকাশিত: মার্চ ২৩, ২০১৯, ০৩:৫২ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : মার্চ ২৩, ২০১৯, ০৩:৫২ পিএম

যারা ভয় পান, দয়া করে দায়িত্ব ছেড়ে দেন : গয়েশ্বর

জাগরণ প্রতিবেদক
যারা ভয় পান, দয়া করে দায়িত্ব ছেড়ে দেন : গয়েশ্বর
গয়েশ্বর রায় -ফাইল ছবি

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, যারা মামলা-মোকাদ্দমায় ভয় পান তারা দয়া করে দায়িত্ব ছেড়ে দেন। যারা ভয় পাবেন না তারা দায়িত্ব পালন করবেন।

শনিবার (২৩ মার্চ) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নীচ তলায় এক অনশন কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে তিনি এ সব কথা বলেন।

এর আগে বেলা ১১টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নীচতলায় বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে ঢাকা জেলার দোহার ও নবাবগঞ্জ থানা বিএনপির উদ্যোগে অনশন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। অনশনে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাক।

অনশনে সংহতি প্রকাশ করে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ৩০ ডিসেম্বরে নির্বাচন নিয়ে হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। কারণ এখন বিএনপি নয়, দেশের মানুষের ওপর দুঃশাসন চলছে। এটা থেকে রক্ষা পেতে হলে বিএনপিকে এগিয়ে আসতে হবে। তাই আমি বলবো, যারা মামলা-মোকাদ্দমায় ভয় পান, তারা দয়া করে দায়িত্ব ছেড়ে দেন। যারা ভয় পাবেন না তারা দায়িত্ব পালন করবেন।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানান গয়েশ্বর রায়। তিনি বলেন, মহাসচিব ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে বলবো যারা মামলা-মোকাদ্দমা উপেক্ষা করে রাজপথে থেকে গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনকে জোরদার করবে তাদের দায়িত্ব দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আজকে খুশির বিষয় হচ্ছে, খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা এগিয়ে এসেছেন।

তিনি বলেন, আমরা সবাই জানি আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়ার মামলাগুলো সবই মিথ্যা। যে সব অভিযোগ তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি। টাকা যা ছিল তা তিনগুণ হয়ে ব্যাংকে জমা আছে। তারপরও দেশনেত্রীকে ওই মামলায় সাজা দেয়া হয়েছে। ইতিহাস বলে, কোনো দেশে জনগণের নেতাকে মামলা, সাজা দিয়ে বেশি দিন আটকে রাখা যায় না। খালেদা জিয়াকেও রাখা যাবে না।

আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে উল্লেখ মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা প্রমাণ করবো দেশের মানুষ তাদের প্রয়োজনে গণতন্ত্রের প্রতীক খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবে।

পরে অনশনকারীদের পানি পান করিয়ে অনশন ভাঙান মির্জা ফখরুল।

অনশনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, নির্বাহী কমিটি সদস্য নিপুন রায় চৌধুরীসহ আরও অনেকে।

টিএস/এসএমএম