• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২০, ২৬ চৈত্র ১৪২৬
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২০, ০৫:৩৯ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২০, ০৫:৪১ পিএম

কানাডায় বাংলাদেশ হাই কমিশনে শহীদ দিবস পালিত

জাগরণ ডেস্ক
কানাডায় বাংলাদেশ হাই কমিশনে শহীদ দিবস পালিত
অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন হাই কমিশনার মিজানুর রহমান ● সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

যথাযোগ্য মর্যাদায় শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) অটোয়াস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশনে মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। দিবসের কার্যক্রমের অংশ হিসাবে প্রথম প্রহরে মিশনের সহকর্মীদের নিয়ে অটোয়া সিটি হলে স্থাপিত অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন হাই কমিশনার মিজানুর রহমান। এ সময় কানাডার পার্লামেন্টের সংসদ সদস্য, অটোয়া সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর, অটোয়াস্থ প্রবাসী বাংলাদেশি ও বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

এদিন বাংলাদেশ হাউজে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। সন্ধ্যায় ছিল আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। 

অটোয়াস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশনের কাউন্সেলর (রাজনৈতিক) দেওয়ান হোসেন আইয়ুবের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুরতেই বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু, ও মহান শহীদ দিবস সংক্রান্ত একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়। এ সময় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।

অনুষ্ঠানে হাই কমিশনার মিজানুর রহমান তার বক্তব্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও সব শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। 

তিনি বলেন, মহান একুশে ফেব্রুয়ারি রক্ত গাথা গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়; যা বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে আজ বিশ্বের প্রায় সব দেশের মানুষের প্রাণে অনুরণিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ের জন্য কানাডা-বৃটিশ-কলম্বিয়াতে অবস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতিষ্ঠান ‘দি মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ লাভার্স অব দি ওয়ার্ল্ড সোসাইটি’ প্রাথমিক পর্যায়ে উদ্যোগ গ্রহণ করে। পরে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর একুশে ফেব্রুয়ারিকে আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। এটি জাতির জন্য বিরাট অর্জন। 

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ছাড়াও কানাডা, চীন, ভারত, শ্রীলঙ্কা, ফ্রান্স ও জ্যামাইকার আমন্ত্রিত শিল্পীরা নিজ দেশের সংস্কৃতি ও ভাষার গান, কবিতা ও নৃত্য পরিবেশন করেন।

এসএমএম