• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৫ জুন, ২০২০, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
প্রকাশিত: মে ৯, ২০১৯, ০২:৪১ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : মে ৯, ২০১৯, ০২:৪১ পিএম

জলাতঙ্ক রোধে কুকুরকে টিকা

জাগরণ প্রতিবেদক
জলাতঙ্ক রোধে কুকুরকে টিকা

কিছু কিছু ক্ষেত্রে কুকুর মানুষের চেয়েও বিশ্বস্ত মন্তব্য করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, সুষ্ঠুভাবে নিয়ন্ত্রণ করলে কুকুর মানুষের উপকারী বন্ধুর ভূমিকা পালন করবে। কুকুর যে মানুষের বন্ধু, তা হাজার বছর ধরেই পরীক্ষিত।  

বৃহস্পতিবার (৯ মে) দুপুরে ফার্মগেট কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ব্যাপকহারে কুকুরকে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। জলাতঙ্ক নির্মূলের লক্ষ্য নিয়ে এই কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়।  

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি এলাকায় কুকুরকে নিরাপদ করতে এবং জলাতঙ্ক মুক্ত করতে সব সহযোগিতা করা হবে।  

এছাড়াও তিনি স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডগ ওনার শিপ উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন।  

স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, এরশাদের আমলে আজিমপুর মেটার্নিটিতে মৃত কুকুরের স্তুপ দেখেছিলাম। সেখানে এরশাদ সাহেবের একজন লোক ছিলেন। তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম কুকুরের বিরুদ্ধে ক্যু করা হয়েছিল কি-না। পরে তিনি বললেন, সিটি করপোরেশন এসব করেছে। আসলে কুকুরের প্রতি এমন নিষ্ঠুরতা বাদ দিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতর যে কুকুরকে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে।  

স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক সানিয়া তাহমিনা বলেন, কুকুর মেরে জলাতঙ্ক প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়।  এটা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। এজন্য কুকুরকে সুরক্ষিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।  

স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার সাবেক লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক বে-নজীর আহমেদ কুকুরের প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ পরিহারের আহ্বান জানান।  

আগামী ১৪ থেকে ১৯ মে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে কুকুরকে গণহারে টিকাদান করা হবে।  

আজ বেলুন উড়িয়ে কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। এসময় একটি কুকুরকে জলাতঙ্কের টিকা প্রদান করা হয়।  

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে- প্রাণি সম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক হীরেম রঞ্জন ভৌমিক, শের-ই বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক কামাল উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ বক্তব্য প্রদান করেন।  

আরএম/টিএফ