• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৯, ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
প্রকাশিত: জুলাই ১০, ২০১৯, ০৭:১৭ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জুলাই ১০, ২০১৯, ০৭:১৭ পিএম

জাতীয় সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৮ বছরে ডায়াবেটিস রোগী বেড়ে সংখ্যা দ্বিগুণ

জাগরণ প্রতিবেদক
৮ বছরে ডায়াবেটিস রোগী বেড়ে সংখ্যা দ্বিগুণ

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, দেশে ক্রমান্বয়ে বহুমূত্র (ডায়াবেটিক) রোগের সংখ্যা বাড়ছে। ২০১০ সালে এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ছিল ৩ দশমিক ৯ শতাংশ। আটবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৪ শতাংশ অর্থাৎ বৃদ্ধির হার দ্বিগুণের বেশি।

বুধবার (১০ জুলাই) টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তরে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সংসদকে এ তথ্য জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিকালে এ অধিবেশন শুরু হয়।

এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, দেশে ভেজাল ও ফরমালিনমুক্ত খাবার গ্রহণ, ধূমপানসহ নানা কারণে প্রতিবছর ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু সেই অনুপাতে ক্যান্সার চিকিৎসা ও হাসপাতাল কম হওয়ায় ক্যান্সার রোগী ও অভিভাবকগণ প্রতিনিয়ত দূর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। এ থেকে ভুক্তভোগীদের লাঘবের জন্য এরইমধ্যে দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে একটি করে আধুনিক চিকিৎসা সম্বলিত স্পেশাল ক্যান্সার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

শামীম হায়দার পাটোয়ারীর প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আইপিইউ সম্মেলনের সমাপনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অঙ্গিকার করেছিলেন ২০৪০ সালের মধ্যে দেশ তামাকমুক্ত হবে। তার ওই অঙ্গিকার বাস্তবায়নে ওই সময়ের মধ্যে তামাক নির্মূল করতে চাই।

মসিউর রহমান রাঙ্গার প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, বিদেশি ওষুধ দেশীয় বাজারে বাজারজাতকরণের আগে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর হতে আমদানিকৃত ওষধের নিবন্ধন গ্রহণ করতে হয়। তিনি বলেন, বিদেশি ওষুধের কার্যকারিতা পরীক্ষা করার ব্যবস্থা রয়েছে।

মুজিবুর হকের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, উপজেলা পর্যায়ে হাসপাতালগুলোতে আগুনে পোড়া রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড করার পরিকল্পনা আপাতত নেই। তবে ঢাকা মেডিকেলে এ সংক্রান্ত রোগীর চাপ কমাতে ঢাকার বাইরে আপাতত ৫টি মেডিকেল কলেজে বার্ণ ইউনিট স্থাপন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

বেনজীর আহমদের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি)’দের চাকুরি রাজস্বখাতে স্থানান্তরের কোনও পরিকল্পনা নেই। যে কর্মরত সকল জনবল ট্রাষ্টের আওতায় সরকারি বিধি-বিধান অনুযায়ী সকল সুবিধাদি প্রাপ্ত হবেন।

এইচএস/এসএমএম

আরও পড়ুন