• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৯, ১ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬
প্রকাশিত: অক্টোবর ২৬, ২০১৯, ০৭:৪৬ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : অক্টোবর ২৬, ২০১৯, ০৭:৪৬ পিএম

‘স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলো নারীবান্ধব নয়’

জাগরণ প্রতিবেদক
‘স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলো নারীবান্ধব নয়’
আলোচনা সভায় অংশ নিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা-ছবি : জাগরণ

আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি) ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশে সরকারি-বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলো এখনও নারীবান্ধব নয়। এমনকি হাসপাতাল ও চিকিৎসকের চেম্বারে রোগীদের গোপনীয়তাও রক্ষা করা হয় না।

শনিবার (২৬ অক্টোবর) বিকালে বিএসএমএমইউর শহীদ ডা. মিল্টন হলে ‘স্বাস্থ্যসেবায় নারীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতকরণ’ শীর্ষক ক্যাফে সায়েন্টিফিক সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে মূল আলোচক ছিলেন বিএসএমএমইউ’র পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ফারিহা হাসিন।

স্বাস্থ্য অধিদফতাধীন সংক্রামক ব্যাধি শাখার ইপিডেমিওলজিস্ট ডা. ইশরাত জাহান বলেন, এখনও বহু হাসপাতালে এক কক্ষে একাধিক মেডিকেল অফিসার বসেন। একই সময়ে এক কক্ষে একাধিক রোগী দেখা হয়। কিছু চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারের কক্ষেও একাধিক রোগী থাকেন। এতে রোগীর গোপনীয়তা রক্ষা নষ্ট হচ্ছে। এক রোগী আরেক রোগীর ব্যক্তিগত তথ্য জেনে যাচ্ছেন, এক চিকিৎসক আরেক রোগীর তথ্য জেনে যাচ্ছেন। এটা নারী রোগীর জন্য বেশি নেতিবাচক। পাশাপাশি পুরুষ রোগীর জন্যও নেতিবাচক বটে।

আইসিডিডিআরবি’র চিকিৎসক সাদিকা আক্তার বলেন, একটি গবেষণায় দেখা গেছে হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে পুরুষদের অবাধ চলাচল থাকে। তখন একজন মা তার শিশুকে বুকের দুধ পান করাতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন।  সেখানে কোনও পর্দা বা এমন কোনও ব্যবস্থা ছিল না, যা দিয়ে একজন মা নিজেকে আড়াল করতে পারেন। এ ধরনের সমস্যা বহু হাসপাতালেই রয়েছে। এমনকি টয়লেট বা বাথরুম নারী-পুরুষের জন্য পৃথক ব্যবস্থার কথা ফলাও করে প্রচার করা হলেও বাস্তবে দেখা যায় শুধু পুরুষের জন্যই রয়েছে। 

স্ত্রী ও প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ শিউলি চৌধুরী বলেন, মেডিকেল শিক্ষায় মেয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে অথচ পরিবেশ সেভাবে গড়ে তোলা হয়নি।

আইসিডিডিআর’বির শেয়ার প্রকল্পের পরিচালক ডা. ইকবাল আনোয়ার বলেন, আমাদের মানসিকতা পরিবর্তন জরুরি। না হলে এই ধরনের সমস্যা থেকে বের হয়ে আসা খুবই কঠিন।

আরএম/এসএমএম

আরও পড়ুন