• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই, ২০২০, ২৫ আষাঢ় ১৪২৭
প্রকাশিত: মে ২৩, ২০২০, ০২:৪১ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : মে ২৩, ২০২০, ০২:৫৯ পিএম

কোভিড-১৯

১০,৮৩৪ নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত ১,৮৭৩ জন

এসএম মুন্না
১০,৮৩৪ নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত ১,৮৭৩ জন
অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা

আক্রান্তের ৭৭তম দিন

....

৭৭তম দিনে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মারা গেছেন আরও ২০ জন। এ নিয়ে মোট প্রাণহানি ৪৫২ জন। ২০ জনের মধ্যে ১৬ জন পুরুষ ও ৪ জন নারী। 

জেলাভিত্তিক বিশ্লেষণে ঢাকা বিভাগে ৪ জন এবং অন্যান্য জেলার ১৬ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ১৫ জন, বাড়িতে ৫ জন।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ১ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৩ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৮ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৩ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ৩ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ২ জন। 

গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) দেশে নতুন করে ১ হাজার ৮৭৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট শনাক্ত হলেন ৩২ হাজার ৭৮ জন। 

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২৯৬ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৬ হাজার ৪৮৬ জন।

শনিবার (২৩ মে) দুপুরে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

মোট ৪৭টি ল্যাবে গত ২৪ ঘন্টায় মোট ৯ হাজার ৯৭৭ টি নমুনা সংগ্রহ হয়েছে। নতুন-পুরাতন মিলিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে ১০ হাজার ৮৩৪ টি। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৭৫ টি।

দেশে শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ২০ দশমিক ২২ শতাংশ ও মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪১ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনের নেয়া হয়েছে ২৮৬ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনের আছেন ৪ হাজার ৩০৫ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৪১ জন। এ পর্যন্ত মোট ছাড় পেয়েছেন ২ হাজার ৬৯ জন।

যারা কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড় পেয়েছেন তারা সম্পূর্ণ সুস্থ এবং স্বাভাবিক। তারা স্বাভাবিক চলাফেরা করতে পারবেন। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরামর্শ থাকবে, তারা যেন এখনো নিজ ঘরে থাকেন।

শুক্রবার (১৯ মে) শনাক্ত হয় ১৬৯৮ ও মারা যায় ২৪ জন। 

গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষা শুরু করে। ৮ মার্চ দেশে প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। ১৮ মার্চ প্রথম কোনও করোনা রোগী মারা যায়।

দেশে গত ২৮ এপ্রিল করোনা রোগী শনাক্ত হয় ৫৪৯ জন। এরপর ২৯ এপ্রিল ৬৪১ জন, ৩০ এপ্রিল ৫৬৪ জন, ১ মে ৫৭১ জন, ২ মে ৫৫২ জন, ৩ মে ৬৬৫ জন, ৪ মে ৬৮৮, ৫ মে ৭৮৬ জন, ৬ মে ৭৯০ জন, ৭ মে ৭০৬ জন, ৮ মে ৭০৯ জন এবং ৯ মে ৬৩৬ জন, ১০ মে ৮৮৭ জন, ১১ মে ১০৩৪ জন, ১২ মে ৯৬৯, ১৩ মে সর্বাধিক ১ হাজার ১৬২ জন, ১৪ মে ১০৪১, ১৫ মে ১২০২, ১৬ মে ৯৩০, ১৭ মে ১২৭৩, ১৮ মে ১৬০২, ১৯ মে ১২৫১, ২০ মে ১৬১৭, ২১ মে ১৭৭৩, ২২ মে ১৬৯৮  জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়।

২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসের রেকর্ড সংক্রমণ দেখলো বিশ্ব। মহামারির পাঁচ মাসে এই প্রথম, দিনে নতুন সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে, এক লাখ আট হাজার। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫৩ লাখ।

মাঝে কিছুদিন কমার পর ফের ৫ হাজারের বেশি মৃত্যু দেখেছে বিশ্ব। ২৪ ঘণ্টায় পাঁচ হাজার ২০০ মৃত্যুর পর, মোট প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে, তিন লাখ ৪০ হাজারের কাছাকাছি।

যুক্তরাষ্ট্রে শুক্রবার মারা গেছেন, প্রায় ১৩০০ মানুষ। দেশটিতে মোট প্রাণহানি ৯৭ হাজারের বেশি। সংক্রমণের দিক দিয়ে, বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ দেশ এখন ব্রাজিল। দেশটিতে তিন লাখ ৩০ হাজার ছাড়িয়েছে আক্রান্তের সংখ্যা।

নতুন প্রাণহানি হয়েছে প্রায় এক হাজার। হঠাৎই মৃত্যু বেড়েছে স্পেনে। দেড় মাসে প্রথমবার দিনে প্রায় ৭০০ মৃত্যু দেখেছে দেশটি। মৃত্যু তুলনামূলক কম হলেও কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা তিন লাখ ২৬ হাজার ছাড়িয়েছে রাশিয়ায়।

এসএমএম

আরও পড়ুন