• ঢাকা
  • রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২০, ২৮ আষাঢ় ১৪২৭
প্রকাশিত: মে ২৬, ২০২০, ০৩:৩১ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : মে ২৬, ২০২০, ০৩:৩৪ পিএম

কোভিড-১৯

আরও ২১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১,১৬৬

এসএম মুন্না
আরও ২১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১,১৬৬
অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা

আক্রান্তের ৮০তম দিন

....

শনাক্তের ৮০তম দিনে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মারা গেছেন আরও ২১ জন। এ নিয়ে মোট প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে গিয়ে দাঁড়াল ৫২২ জনে। 

জেলাভিত্তিক বিশ্লেষণে ঢাকা বিভাগে ১৫ জন, চট্টগ্রামে ৪ এবং বরিশালের ২ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ২০ জন এবং বাড়িতে ১ জন।

বয়স ভিত্তিক বিশ্লেষণে ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ১ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ১ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৩ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৭ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৫ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ১ জন এবং শূন্য থেকে ১১ বছরের মধ্যে ১ জন। ২১ জনের মধ্যে ১৪ জন পুরুষ ও ৮ জন নারী। 

গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) দেশে নতুন করে ১ হাজার ১৬৬ জনের দেহে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট শনাক্ত হলেন ৩৬ হাজার ৭৫১ জন। 

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২৪৫ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৭ হাজার ৫৭৯ জন।

মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে মোট ৪৮টি ল্যাবে বর্তমানে নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৪ হাজার ৪১৬ টি নমুনা সংগ্রহ হয়েছে। এখান থেকে এবং আগের কিছু মিলিয়ে ৫ হাজার ৪০৭ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৪৪১টি।

নমুনা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনের নেয়া হয়েছে ১৮২ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনের আছেন ৪ হাজার ৪৭০ জন।

আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৬৫ জন। এ পর্যন্ত মোট ছাড় পেয়েছেন ২ হাজার ৩২৩ জন।

যারা কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড় পেয়েছেন তারা সম্পূর্ণ সুস্থ এবং স্বাভাবিক। তারা স্বাভাবিক চলাফেরা করতে পারবেন। তবে স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরামর্শ থাকবে, তারা যেন এখনও নিজ ঘরে থাকেন।

সোমবার (২৫ মে) শনাক্ত হয় ১,৯৭৫ ও মারা যায় ২১জন। 

গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষা শুরু করে। ৮ মার্চ দেশে প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। ১৮ মার্চ প্রথম কোনও করোনা রোগী মারা যায়।

দেশে গত ২৮ এপ্রিল করোনা রোগী শনাক্ত হয় ৫৪৯ জন। এরপর ২৯ এপ্রিল ৬৪১ জন, ৩০ এপ্রিল ৫৬৪ জন, ১ মে ৫৭১ জন, ২ মে ৫৫২ জন, ৩ মে ৬৬৫ জন, ৪ মে ৬৮৮, ৫ মে ৭৮৬ জন, ৬ মে ৭৯০ জন, ৭ মে ৭০৬ জন, ৮ মে ৭০৯ জন এবং ৯ মে ৬৩৬ জন, ১০ মে ৮৮৭ জন, ১১ মে ১০৩৪ জন, ১২ মে ৯৬৯, ১৩ মে সর্বাধিক ১ হাজার ১৬২ জন, ১৪ মে ১০৪১, ১৫ মে ১২০২, ১৬ মে ৯৩০, ১৭ মে ১২৭৩, ১৮ মে ১৬০২, ১৯ মে ১২৫১, ২০ মে ১৬১৭, ২১ মে ১৭৭৩, ২২ মে ১৬৯৮, ২৩ মে ১,৮৭৩, ২৪ মে ১,৫৩২ ও ২৫ মে ১৯৭৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়।

এসএমএম

আরও পড়ুন