• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই, ২০২০, ১৮ আষাঢ় ১৪২৭
প্রকাশিত: মে ২৯, ২০২০, ০২:৩৯ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : মে ২৯, ২০২০, ০৩:০৭ পিএম

কোভিড-১৯

সর্বোচ্চ ২৫২৩ জন শনাক্তের রেকর্ড

এসএম মুন্না
সর্বোচ্চ ২৫২৩ জন শনাক্তের রেকর্ড
অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা

আক্রান্তের ৮৩তম দিন

....

৮৩তম দিনে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) শনাক্তের সব রেকর্ড ভঙ্গ করলো বাংলাদেশ।

গত ২৪ ঘণ্টা দেশে মারা গেছেন আরও ২৩ জন। এর মধ্যে ১৯ জন পুরুষ ও ৪ জন নারী। এ নিয়ে মোট প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে গিয়ে দাঁড়াল ৫৮২ জনে। 

জেলাভিত্তিক বিশ্লেষণে ঢাকা বিভাগে ১০ জন এবং অন্যান্য জেলার ১৩জন।

বয়স ভিত্তিক বিশ্লেষণে ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ১ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ২ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৬ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৫ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৫ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ২ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ১ জন এবং ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ১ জন। 

গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) দেশে নতুন করে ২ হাজার ৫২৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট শনাক্ত হলেন ৪২ হাজার ৮৪৪ জন। 

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫৯০ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৯ হাজার ১৫ জন।

শুক্রবার (২৯ মে) দুপুরে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে মোট ৪৯টি ল্যাবে বর্তমানে নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এসব ল্যাবে মোট ১২ হাজার ৯৮২ টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে আগের দিনের নমুনাসহ পরীক্ষা হয়েছে ১১ হাজার ৩০১ টি। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২ লাখ ৮৭ হাজার ৬৭টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনের নেয়া হয়েছে ৩২৮ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনের আছেন ৫ হাজার ১৪০ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ১৭২ জন। এ পর্যন্ত মোট ছাড় পেয়েছেন ২ হাজার ৮১০ জন।

শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ২০ দশমিক ৪ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩৬ শতাংশ।

যারা কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড় পেয়েছেন তারা সম্পূর্ণ সুস্থ এবং স্বাভাবিক। তারা স্বাভাবিক চলাফেরা করতে পারবেন। তবে স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরামর্শ থাকবে, তারা যেন এখনো নিজ ঘরে থাকেন।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) শনাক্ত হয় ২,০২৯ ও মারা যায় ১৫ জন। 

গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষা শুরু করে। ৮ মার্চ দেশে প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। ১৮ মার্চ প্রথম কোনও করোনা রোগী মারা যায়।

দেশে গত ২৮ এপ্রিল করোনা রোগী শনাক্ত হয় ৫৪৯ জন। এরপর ২৯ এপ্রিল ৬৪১ জন, ৩০ এপ্রিল ৫৬৪ জন, ১ মে ৫৭১ জন, ২ মে ৫৫২ জন, ৩ মে ৬৬৫ জন, ৪ মে ৬৮৮, ৫ মে ৭৮৬ জন, ৬ মে ৭৯০ জন, ৭ মে ৭০৬ জন, ৮ মে ৭০৯ জন এবং ৯ মে ৬৩৬ জন, ১০ মে ৮৮৭ জন, ১১ মে ১০৩৪ জন, ১২ মে ৯৬৯, ১৩ মে সর্বাধিক ১ হাজার ১৬২ জন, ১৪ মে ১০৪১, ১৫ মে ১২০২, ১৬ মে ৯৩০, ১৭ মে ১২৭৩, ১৮ মে ১৬০২, ১৯ মে ১২৫১, ২০ মে ১৬১৭, ২১ মে ১৭৭৩, ২২ মে ১৬৯৮, ২৩ মে ১,৮৭৩, ২৪ মে ১,৫৩২, ২৫ মে ১৯৭৫, ২৬ মে ১,১৬৬, ২৭ মে ১,৫৪১ ও ২৮ মে ২,০২৯ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়।

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসে ৩ লাখ ৫৭ হাজার ছাড়ালো প্রাণহানি। সংক্রমিত ৫৭ লাখ ৮৮ হাজারের বেশি।

২৪ ঘণ্টায় আবারও করোনার রেকর্ড সংক্রমণ দেখলো বিশ্ব। বৃহস্পতিবার (২৯ মে) ভাইরাসটির নতুন সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে এক লাখ ১৬ হাজারের বেশি। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫৯ লাখ।

নতুন করে পাঁচ হাজার প্রাণহানিতে মোট মৃত্যু তিন লাখ ৬২ হাজারের মতো।

মহামারির পাঁচ মাসে এদিন সর্বোচ্চ সংক্রমণ ও মৃত্যু রেকর্ড করেছে ব্রাজিল। মারা গেছেন প্রায় ১৩০০ মানুষ। নতুন আক্রান্ত ২৪ হাজারের বেশি। এ নিয়ে দেশটিতে প্রাণহানি ২৭ হাজার ছুঁইছুঁই। আক্রান্ত সাড়ে চার লাখের কাছাকাছি।

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে ১২০০ মানুষের মৃত্যুতে প্রাণহানি বেড়ে হয়েছে ১ লাখ সাড়ে ৩ হাজার। আক্রান্ত ১৭ লাখ ৬৮ হাজার মানুষ। দিনের তৃতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে মেক্সিকোতে। মৃত্যু তুলনামূলক কম হলেও রাশিয়াতে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে পৌনে চার লাখ।

ইতালি-স্পেন-ফ্রান্সে করোনার নতুন সংক্রমণ ও মৃত্যুর নিম্নমুখী গ্রাফ অব্যাহত থাকলেও যুক্তরাজ্যে প্রাণ গেছে আরও পৌনে ৪০০ মানুষের।

এসএমএম

আরও পড়ুন